একদা বড় বড় শহরে বিশ্বকর্মা পুজোর সময় ঘুড়ি ওড়ানোর ব্যাপক চল ছিল। গ্রামাঞ্চলে মকরসংক্রান্তির সময় এখন আর ঘুড়ি আকাশে ওড়ে না। বেশিদিন আগের কথা নয়, বাংলার আকাশে খুবই দেখা যেত রঙিন ঘুড়ির ঝাঁক। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিবর্তন হয়েছে ঘুড়িরও। সংবাদপত্র থেকে জানা যায়, চিনা মাঞ্জা দেওয়া সুতোয় অনেক অঘটন ঘটেছে, এমনকি প্রাণহানিও। এখন বাড়িতে ঘুড়ি কিংবা মাঞ্জা তৈরির চল নেই বললেই চলে। দোকান থেকেই ঘুড়ি এবং মাঞ্জা-সুতো, লাটাই কেনা হয়। বেড়েছে সিন্থেটিক সুতোর ব্যবহার। ঘুড়ির কাটাকাটিতে এই সুতোর নাকি জুড়ি মেলা ভার! কিন্তু এই সুতোয় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। যথার্থ ঘুড়িপ্রেমিরা এমন সুতোয় তেমন মজা পান না। কিন্তু বাজারে এসবেরই কাটতি বেশি। ফ্লাইওভারে চলন্ত মোটরবাইকের আরোহীদের আহত হওয়া থেকে শুরু করে পাখিদেরও প্রাণ যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। সেদিক থেকে তুলোর তৈরি সুতো অনেক শ্রেয়। অন্যদিকে বিগত কয়েক বছর ধরে পরিবেশবান্ধব কাগজের ঘুড়ির বদলে বেড়েছে প্লাস্টিকের ঘুড়ি। পরিবেশদূষণ ও জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে ঘুড়িতে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করা দরকার। তাই চাই ঘরের মাঞ্জা তুলোর সুতো, কাগজের ঘুড়ি।
লিয়াকত হোসেন খোকন, রূপনগর, ঢাকা
