বগুড়ায় ১০ টাকা কেজির ৭২০ কেজি চাল উদ্ধার

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:৪৫

বগুড়ার গাবতলী উপজেলা প্রশাসন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির ৭২০ কেজি (২৪ বস্তা) চাল উদ্ধার করেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নেপালতলীর ডিলারের চাল ভ্যানযোগে নেওয়ার পথে এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে উপজেলার সাহাবাসপুর গ্রাম থেকে এই চাল উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের নেপালতলী কেন্দ্র থেকে ডিলার সাইফুল ইসলাম মঙ্গলবার খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় হতদরিদ্রদের মধ্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল জনপ্রতি ৩০ কেজি বস্তার চাল বিক্রি করেন। ঐ ২৪ বস্তা চাল একই ইউনিয়নের কদমতলীর চাতাল মালিক গোবিন্দ হতদরিদ্রদের কাছ থেকে ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত চাল অটোভ্যানে করে কদমতলী নিয়ে যাওয়ার পথে সাহাবাসপুর নতুন ব্রিজের নিকট পৌঁছলে স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে পড়েন। সাংবাদিকরা ছবি তুললে ভয়ে ভ্যানচালকরা সাহাবাসপুর স্ট্যান্ডে          চালের বস্তা রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রওনক জাহান ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) শাহানশাহ হোসেন সাহাবাসপুর স্ট্যান্ড থেকে ২৪ বস্তা চাল উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে ডিলার সাইফুল ইসলাম বলেন, কার্ডধারী হতদরিদ্রদের মধ্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হয়েছে। উত্তোলনের পর কে, কার কাছে এই চাল বিক্রি করেছে—তা আমার জানা নেই।

উপজেলার সুখানপুকুর খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান বলেন, সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি চাল বিতরণ কেন্দ্রে যেতে পারেননি। তবে ৩০ কেজি ওজনের ২৪ বস্তা ৭২০ কেজি চাল সাহাবাসপুর স্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার হয়েছে।

ইউএনও মোছা. রওনক জাহান বলেন, চালগুলো কারা বিক্রি করেছে এবং কে কিনেছে—তাদের উভয়ের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।