বরিশাল সদর উপজেলার টুংগীবাড়িয়া ইউনিয়নে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষকে করোনা পরবর্তীতে স্বাবলম্বীর লক্ষ্যে ২ হাজার পরিবারের মধ্যে ত্রাণসহ ভ্যানগাড়ি ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে টুংগীবাড়িয়া ইউনিয়নের ০৯টি ওয়ার্ডে এ সামগ্রী বিতরণ করেন এনার্জি রেগুলেটরি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এ আর খানের সহধর্মিণী নাদিরা রহমান। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন নাদিরা রহমান।
এ সময় তিনি বলেন, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে ও দরিদ্রদের পাশে থাকার ইচ্ছা বরাবরই ছিল। আমাদের সাধ্যমতো যখন যেভাবে পেরেছি সেভাবে গরীবের পাশে দাড়াতে চেষ্টা করেছি। লোক জানাজানি করে আমি বা আমার পরিবার কখনোই কিছু করেনি তবে এবারের কার্যক্রমে সারাইউনিয়নে জানাজানি হয়ে গেছে। অসহায়, গরীবের পাশে আমার পরিবার আগেও ছিল, আগামীতেও থাকবে।
তিনি আরও জানান, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের এবারের কার্যক্রমে প্রত্যেক পরিবারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় ১২টি উপকরণ প্যাকেটজাত করে দেওয়া হয়েছে। এ ধাপে ৪টি পরিবারকে ভ্যানগাড়ি ও ৪টি পরিবারকে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়েছে। এটি ছিলো করোনা পরবর্তীতে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে গরীব ও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রথম ধাপ। ভ্যানগাড়ি ও সেলাই মেশিন বিতরণ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে সেজন্য তৈরি করা হচ্ছে একটি নিরপেক্ষ তালিকা।
ভ্যানগাড়ি পেয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ভ্যানগাড়িটি পেয়ে আমার পরিবার খুব আনন্দিত। করোনার কারণে আয়-রোজগার আগের মতো হচ্ছিল না তাই খুব চিন্তার মধ্যে আমার দিন কাটতে ছিল এমন সময় নাদিরা আপা আমার পরিবারকে একটি উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আমার পরিবার অনেক খুশি, আপার জন্য দোয়া করছি।
সেলাই মেশিন পেয়ে কাকলী বেগম বলেন, এমন সময় একটি সেলাই মেশিন পেয়ে আমার দুশ্চিন্তা দূর হলো, আয়ের একটা ব্যবস্থা হলো। পরিবারের সবাই শেলাই মেশিন পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি।
ইত্তেফাক/বিএএফ
