কাল বাফুফে নির্বাচন

সভাপতিহীন প্যানেল ঘোষণা শেখ আসলামদের

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৫

সভাপতি প্রার্থী ছাড়াই শেখ মো. আসলামের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত পরিষদ আগামিকাল শনিবার অনুষ্ঠিতব্য বাফুফে নির্বাচনে প্যানেল ঘোষণা করলো। গতকাল রাজধানীর এক হোটেলে এই পরিষদ একইসাথে ফুটবলের উন্নয়নে ২৪ দফা দিয়েছে।

সাবেক তারকা স্ট্রাইকার শেখ মো. আসলাম সিনিয়র সহসভাপতি পদে আব্দুস সালাম মুর্শেদীর বিপক্ষে লড়াই করছেন। তিনিই এই পরিষদের নেতা।

সমন্বয় পরিষদ জানিয়েছে তারা ১২ বছরের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে। এই দফাগুলোর মধ্যে আছে প্রিমিয়ার লিগ ঢেলে সাজানো, নতুন পুরোনো টুর্নামেনট চালু করা, ক্লাবগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়াসহ জাতীয় দলের জন্য হাইপ্রোফাইল কোচিং স্টাফ নিয়োগ, খেলোয়াড়দের হেলথ ইনসিওরেন্স এবং লাইফ ইনসিওরেন্স করা, বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট, বিভাগীয় ফুটবল নিয়ে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে লিগ চালু, বিভাগী শহরে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম নির্মাণ।

কাজী সালাহউদ্দিনের সম্মিলিত পরিষদ এর আগে ফুটবল উন্নয়নে ৩৬ দফা দিয়েছে। একলা চলো নীতিতে সভাপতি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মানিক দিয়েছেন ২১ দফা।

সভাপতি ছাড়াই নির্বাচন করবেন বলে সমন্বয় পরিষদের অনুষ্ঠানে বলা হলেও তাদেরই অনুসারী বাদল রায়ের নাম ব্যালটে থাকবে। নির্বাচন কমিশন আগেই জানিয়েছিল বাদল রায়ের পক্ষে ভোট পড়লে সেটি গণনায় আসবে। বেশি ভোট পেলে সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং ফুটবল ক্লাব অ্যাসোসিয়েশন মনোনীত সমন্বয় পরিষদ অবশ্য পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি। চার সহসভাপতি পদে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে তিন জন। এদের এক জন মহিউদ্দিন আহমেদ মহি ইশতেহার ঘোষণা করেন এবং ফোরাম নেতা আশিকুর রহমান মিকু প্যানেল পরিচিতি তুলে ধরেন।

মিকু ঘোষণা দিয়েছেন তার সমর্থিত প্যানেল জিততে না পারলে তিনি ক্রীড়াঙ্গন ছেড়ে চলে যাবেন। ভোটারদের উদ্দেশে মিকু বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি আপনার  কাউন্সিলররা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। ক্রীড়াঙ্গনে আমার ৫০ বছর। যদি এই প্যানেল পাশ না করে তাহলে আমি মনে করব আমার চলে যাওয়ার সময় হয়েছে। আমি বিদায় নেব।’ আসলাম বলেন, ‘আমরা কাউন্সিলরদের প্রতিনিধি। এ কারণেই আমাদের ভোট দেবে।’

মহি বলেন, ‘আমরা সভাপতি দেইনি। মনে করছি আমাদের এই প্যানেল জিতবে।’ চার বছর সালাহউদ্দিনের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন মহি। এএফসি ফিফার সভায় সালাহউদ্দিনের নির্ধারিত সঙ্গী ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ দিকে এসে সালাহউদ্দিন হতে দূরের মানুষ হয়ে গেলেন কেন? মহি বললেন, ‘আমার সঙ্গে বনেনি। আর পদত্যাগ করলে প্রতিবাদ করতে পারতাম না।’

আসলামদের অনুষ্ঠানে

মানিকের প্রচারণা

এদিকে গতকাল দুপুরে সমন্বয় পরিষদের প্যানেল পরিচিতি ও নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণার সময় সভাপতি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মানিকের উপস্থিতি নজর কাড়ে। সব ক্যামেরা চলে যায় তার দিকে। পরে জানা গেল মানিক এসেছেন ভোট চাইতে। সমন্বয় পরিষদ অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে তারা মানিককে সমর্থন দিচ্ছেন না।