তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক তত্পরতার কারণেই ওআইসির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিচার হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার যুদ্ধবিগ্রহের মাধ্যমে নয়, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে চাপ এবং আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করতে চায়। এরই মধ্যে অনেক সফলতা এসেছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর সিআরবি শিরীষ তলায় সামাজিক সংগঠন ‘তিলোত্তমা চট্টগ্রাম’ আয়োজিত মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৯১ ও ৯২ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বাংলাদেশে যেসব রোহিঙ্গারা আসে তাদের অনেকেই এখনো আছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপি দুই দফায় ১০ বছর ক্ষমতায় ছিল। তাদের সময়ে যে রোহিঙ্গারা এসেছিল তাদেরও কিন্তু তারা ফেরত পাঠাতে পারেনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিলেন। যে কারণে বর্বরতার হাত থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা রক্ষা পেয়েছে। এতে সারা বিশ্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রীকে ‘মাদার অব হিউমিনিটি’ হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। যেখানে সমগ্র পৃথিবী প্রশংসা করেছে সেখানে বিএনপি প্রশংসা করতে পারেনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের কূটনৈতিক তত্পরতার কারণেই আন্তর্জাতিক আদালত থেকে মিয়ানমারকে সমন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। অনেককে বিচারের আওতায় আনতে বলা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মিয়ানমারকে তিরস্কারের মতোই করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশেরই কূটনৈতিক তত্পরতারই সফলতা বলে তিনি উল্লেখ করেন।
