আগামী চার বছর দেশের ফুটবল কারা পরিচালনা করবেন সেটি আজ নির্ধারণ হবে ১৩৯ জনের ভোটে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) নির্বাচন আজ। দুপুরে ভোট অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে। ভোটাররা এখন এ হোটেলেই অবস্থান করছেন। সভপতি এক জন, সিনিয়র সহসভাপতি এক জন, সহসভাপতি চার জন এবং ১৫টি সদস্যসহ ২১ পদে ৪৯ প্রার্থী লড়াই করছেন। তবে মূল আকর্ষণ হচ্ছে সভাপতি পদে। এ পদে বর্তমান সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন চতুর্থ বারের মতো নির্বাচন করছেন। সালাহউদ্দিন একই সঙ্গে তৃতীয় বারের মতো দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এবার সালাহউদ্দিনের প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক ডিফেন্ডার শফিকুল ইসলাম মানিক।
সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন বাদল রায়। তিনি নাম প্রত্যাহার করে ঘোষণাও দিয়েছিলেন, শারীরিক অসুস্থতায় তিনি নির্বাচন হতে সরে দাঁড়ান। কিন্তু গতকাল রাতে পুনরায় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে বাদল রায় বলেন, ‘আমি ফুটবলের স্বার্থে নির্বাচন করছি। এমনি এমনি ছেড়ে দেওয়া যায় না।’ তিনি বলেন, ‘সহসভাপতি পদে ইমরুল হাসান, সদস্য পদে সত্যজিত্ দাস রুপু আমাদের সমন্বয় পরিষদে এসেছেন।’ আজ সকালে বাফুফের কংগ্রেসে বাদল রায় আসবেন কি না, প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘শরীর ভালো থাকলে আসব।’
দুই প্যানেলের বাইরে স্বতন্ত্রপ্রার্থী সদস্য পদে ছয় জন, সহসভাপতি প্রার্থী এক জন, তিনি তাবিথ আউয়াল। ১৫টি সদস্য পদে ৩৬ প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী মাহফুজা আক্তার কিরণ। একই সঙ্গে ফিফার সদস্য তিনি। কিরণ বর্তমানে বাফুফেতে নারী ফুটবল নিয়ে কাজ করছেন। এ নারীর জন্য ভোটযুদ্ধে কঠিন লড়াই হবে।
গত ৩০ এপ্রিল বাফুফের বর্তমান কমিটির মেয়াদ পূর্ণ হলেও করোনায় নির্বাচন পিছিয়ে যায়। একই কারণে ফিফা এবং এএফসির প্রতিনিধি ঢাকায় না আসলেও তারা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দীন। কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকছে। মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। করোনা আক্রান্ত হলে তাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
(বাফুফের নির্বাচনের আরো খবর খেলার পাতায়)
