খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। শনিবার এই কথা জানিয়েছেন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সুধীর গুপ্ত। সুশান্তের চূড়ান্ত ভিসেরা রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুভি মাফিয়াদের ফের একহাত নিলেন কঙ্গনা রানাউত। পাশাপাশি সুশান্তকে ‘রেপিস্ট’ তকমা দেওয়া মিডিয়ারও সমালোচনা করেন বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’।
শনিবার বিকেলে টুইটারে হ্যাশট্যাগ এআইআইএমএস দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘তারুণ্যে ভরা আর অসমান্য একটি মানুষ একদিন সকালে আচমকা উঠে নিজেকে শেষ করে দিতে পারেন না।
সুশান্ত জানিয়েছিলেন তিনি নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন। একঘরে করা হয়েছিল তাঁকে। মৃত্যুর ভয় পেয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন মুভি মাফিয়ার হেনস্তা আর নিষিদ্ধ ঘোষণা করার কথা। ভুয়ো ধর্ষণের অভিযোগে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন তিনি।’
Young and extraordinary individuals don’t just wake up one fine day and kill themselves. Sushant said he was being bullied and outcast, he feared for his life, he said movie mafia banned him and harassed him, he was mentally affected by being falsely accused of rape #AIIMS
— Kangana Ranaut (@KanganaTeam) October 3, 2020
টুইটারে কিছু প্রশ্ন করে কঙ্গনা জানতে চেয়েছেন- সুশান্ত বরাবর বড় প্রযোজনা সংস্থার হাতে হেনস্তা হওয়ার কথা বলতেন। কারা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল?, কেন মিডিয়া ভুয়া খবরে তাকে ‘রেপিস্ট’ তকমা দিয়েছিল? কেন মহেশ ভাট সুশান্তের সাইকো-অ্যানালিসিস করছিলেন?
২৯ সেপ্টেম্বর এআইআইএমএস টিমের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ভিসেরা রিপোর্ট সিবিআইয়ের তদন্তকারী দলের হাতে তুলে দেওয়া হয়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই শনিবার সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন ডা. সুধীর গুপ্ত।
ইত্তেফাক/বিএএফ
