মসজিদ নির্মাণের কাজে আওয়ামী লীগ নেতার চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ১

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৮

ঘোড়াঘাটে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও সংলগ্ন মসজিদের বারান্দা নির্মাণের কাজে চাঁদা দাবি করে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাসহ ছয়-সাত জনের সংঘবদ্ধ একটি দল। অভিযোগ করা হয়েছে, চাঁদার ২ লাখ টাকা না পেয়ে ঐ মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় দেওগ্রাম পশ্চিমপাড়ার শামসুল হকের পুত্র ইরফানুল হক জুয়েলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মইনুল মাস্টার। অন্যরা হলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা ফয়সাল হোসেনসহ আরো ছয়-সাত জন।

জানা যায়, উপজেলার ডুগডুগী বাজারের মজসিদের বারান্দা নির্মাণের কাজে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা মইনুল মাস্টার ও ফয়সল                হোসেনের নেতৃত্ব ছয়-সাত জনের একটি দল। পরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ফয়সাল ও জাহাঙ্গীর মসজিদের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। একটু পর মাদ্রাসা ও মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির লোকজন পুনরায় কাজ চালু করে দেন। একই দিন রাতে ম্যানেজিং কমিটির লোকজন মাদ্রাসার অফিসকক্ষে থাকা অবস্থায় সংঘদ্ধ দলটি মইনুল মাস্টারের নেতৃত্বে কক্ষে আসে। তারা দাবিকৃত ২ লাখ টাকা না দিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করায় অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা হুমকিও দেয় এবং কমিটির লোকজনের ওপর চড়াও হয়ে তাদের লাঞ্ছিত করে। এ সময় তাদের চিত্কারে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে তারা সরে পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মইনুল মাস্টারের বিরুদ্ধে শুধু ২০২০ সালেই পাঁচটি মামলা রয়েছে। বাকি আসামিদের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আজিম উদ্দীন জানান, জুয়েলকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।