গ্রামীণ পর্যটন ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২০, ২১:৪৭

কোনো দেশের যদি সত্যিকার অর্থে উন্নয়ন করতে হয়, তাহলে অবশ্যই গ্রামীণ পর্যায়ের উন্নয়ন সবার আগে দরকার। ইউএনডিপি (UNDP)এর মতে, ‘গ্রামীণ উন্নয়ন হলো একটি দেশের বা অঞ্চলের বা গ্রামের জনসমষ্টির গড় আয়ু, শিক্ষা ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি’। প্রত্যেকটি দেশের শতকরা বেশির ভাগ মানুষের বসবাস গ্রামে। গ্রামীণ উন্নয়নের ওপরই একটি দেশের জাতীয় উন্নয়ন নির্ভরশীল। গ্রামই হতে পারে পর্যটন শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষের সহজ সরল জীবনযাপন পদ্ধতি, উদ্ভিদ, বিভিন্ন পাখি, নদী, হাওর, বিল, ঝিল, বিভিন্ন ধরনের লোকজ অনুষ্ঠান, গ্রামীণ পেশা, খেলাধুলা, প্রাচীনবৃক্ষ এসবই হবে পর্যটকদের মনের খোরাক।

বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ পর্যটনশিল্প থেকে প্রতি বছর ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হবে। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৫১টি দেশের পর্যটকরা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবে, যা মোট জিডিপির ১০ শতাংশ অবদান রাখবে। ভ্রমণ ও পর্যটন কাউন্সিলের (ডব্লিউটিটিসি) তথ্যানুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শিল্পের অবদান ৮ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০১৯ সালে পর্যটনশিল্প বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ২ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলার অবদান রাখে, যা বিশ্ব জিডিপির ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে ১৫৬ কোটি পর্যটক, অর্থাত্ প্রতি সাত জনের একজন পর্যটক। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ভ্রমণপিপাসা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রাখছে। বাংলাদেশে পর্যটন খাতে সরাসরি কর্মরত আছেন প্রায় ১৫ লাখ মানুষ। এ ছাড়া পরোক্ষভাবে ২৩ লাখ। অর্থাত্ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১১০ কোটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। আর বিপুলসংখ্যক পর্যটকের প্রায় ৭৫ শতাংশ ভ্রমণ করবেন এশিয়ার দেশগুলোতে। বাংলাদেশ যদি এ বিশাল বাজারে টিকে থাকতে পারে, তাহলে পর্যটনের হাত ধরেই বদলে যেতে পারে দেশের অর্থনীতির রূপরেখা।

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে শোভাময় এক লীলাভূমি। এই দেশের প্রতিটি পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে অপার সৌন্দর্যের সমাহার। আমাদের দেশের গ্রামগুলো ছবির মতো সাজানো আর গ্রামের সহজ-সরল মানুষগুলোর অতিথিপরায়ণতা গ্রামীণ সৌন্দর্যকে হাজার গুণ বাড়িয়ে দেয়। অন্ধকার রাতে জোনাকি পোকার শরীরের আলো গ্রামগুলোকে করে তোলে চোখ ঝাঁঝালো। গ্রীষ্মকালে প্রতিটি গ্রামে গাছে গাছে আম, কাঁঠাল, লিচুতে ভরপুর থাকে। নতুন ফসল ঘরে তোলার সময় গ্রামগুলোতে শুরু হয় নবান্ন অনুষ্ঠান উদ্যাপনের আমেজ। তাই বাংলাদেশের গ্রামগুলো হতে পারে পর্যটন আকর্ষণের অপার সম্ভাবনা। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ১৯৯০ সালে ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান ডেস্টিনেশন’ নামে প্রচারাভিযান করেছিল। সেই প্রচারাভিযানের আলোকে ‘একটি গ্রাম একটি পর্যটন আকর্ষণ কেন্দ্র’ হিসেবে আমরা বিদেশি পর্যটকদের কাছে আমাদের গ্রামগুলোকে উপস্থাপন করতে পারি। বাংলাদেশের ৮৬ হাজার গ্রামবাংলা ৮৬ হাজার পর্যটন আকর্ষণ কেন্দ্র; কারণ, একটি গ্রাম থেকে আরেকটি গ্রাম আলাদা। কোন কোন গ্রাম নদীকেন্দ্রিক, পাহাড়কেন্দ্রিক, হাওরকেন্দ্রিক, বিলকেন্দ্রিক।

একটি গ্রাম থেকে আরেকটি গ্রামের মানুষের আচার-ব্যবহার, সংস্কৃতি, শিক্ষাদীক্ষা, প্রথা, নীতি, জীবনযাত্রা, বিবাহ অনুষ্ঠান আলাদা। কৃষকের ধানের চারা রোপণের দৃশ্য আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয়। এই দৃশ্য পৃথিবীর অন্য কোথাও বিরল। মাঠের পর মাঠ সবুজ শস্যখেতগুলো দেখে যেন মনে হয় সবুজ রাজ্য হাতছানি দিয়ে ডাকছে। গ্রামীণ মানুষের অতিথিপরায়ণতা যে কোনো পর্যটককে বারবার ফিরে নিয়ে আসবে গ্রামগুলো ভ্রমণ করতে। যদি গ্রামীণ পর্যটনের দিকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রামীণ পর্যটনকে বিকশিত করতে পারি, তাহলে গ্রামীণ আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন, গ্রামীণ শিক্ষিত বেকারদের কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টি করা যাবে। গ্রামীণ পর্যটনের জন্য আমাদের বেশি কিছু করতে হবে না কারণ বিদেশি পর্যটকেরা গ্রামীণ পরিবেশ বেশি উপভোগ করে। তাদের জন্য নতুন করে ইটের ঘরবাড়ি বানানোর দরকার নেই। এক্ষেত্রে আমরা হোম-স্টের ব্যবস্থা করতে পারি, যেখানে পর্যটকদের নিজের পরিবারের সদস্য হিসেবে আপ্যায়ন করা হবে। বিদেশি পর্যটকরা গ্রামে যায় গ্রামীণ সৌন্দর্য অবলোকন করতে, সেখানকার মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা, খাদ্য-অভ্যাস সম্বন্ধে জানতে। তারা আমাদের সঙ্গে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার খাবে, কৃষকদের ফসল রোপণ করা দেখবে, পুকুর থেকে মাছ ধরবে, পাকা ফল গাছ থেকে পেড়ে খাবে এবং যেসব এলাকায় মাটির ঘরবাড়ি সেখানে মাটির ঘরবাড়িতে তারা রাতে ঘুমাবে—এগুলো হবে তাদের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা। কারণ পর্যটকরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে এবং এক অঞ্চল থেকে আরেক অঞ্চলে যায় অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করতে। এখন আমাদের কর্তব্য হলো—স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় পর্যটন পণ্যের সংরক্ষণ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আকর্ষণীয় স্থানসমূহের সংস্কৃতিকর্মীদের সমন্বয়ে স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করে স্থানীয়ভাবে কমিটি গঠন এবং আগত দেশি-বিদেশি পর্যটকদের বিনোদনের লক্ষ্যে আকর্ষণীয় অনুষ্ঠানাদি আয়োজনের জন্য উত্সাহিতকরণ। বিদেশি পর্যটকদের জন্য ‘কমিউনিটি হোম-স্টে’-এর ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্থানীয় সংস্কৃতি কর্মীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্প্রদায় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে কমিউনিটি পর্যটন উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্তকরণ। সর্বোপরি বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর মধ্য থেকে তরুণ-তরুণীদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষায় ট্যুর গাইড তৈরির লক্ষ্যে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পর্যটন প্রকল্প গ্রহণ।

প্রতিটি গ্রামকে আমাদের বানাতে হবে একেকটি পর্যটন গন্তব্য বা ডেস্টিনেশন হিসেবে। এসব গন্তব্যে শহরের পর্যটকরাও বেড়াতে যাবে, যাতে করে গ্রাম এলাকায় আর্থিক কর্মকাণ্ডসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এজন্য প্রয়োজন প্রতিটি গ্রামে বিনোদন পার্ক, শিশুপার্ক এবং ঐতিহ্যবাহী স্পোর্টস আয়োজনের জন্য পর্যাপ্ত মাঠ। এগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন দ্রুত ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে আশা করা যায়। গ্রামীণ পর্যটনের উন্নয়ন হলে পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ এবং অনেক ধরনের ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে। যেমন—চিড়া-মুড়ি-খই-দই প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতা, পিঠা-পায়েস-মোয়া প্রস্তুতকারক, হস্তশিল্প (বাঁশ, বেত, হোগলা) প্রস্তুত ও বিপণনকারী ইত্যাদি। এদের টিকিয়ে রাখার জন্য সহজ শর্তে সরকারি ঋণের প্রয়োজন। গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে হবে। এজন্য আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যগুলোকে নান্দনিক উপায়ে তুলে ধরতে হবে। আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যগুলো হচ্ছে গ্রাম্য সমাজব্যবস্থা, কৃষিজমির চিরায়ত পদ্ধতিতে চাষাবাদ, চিরায়ত লোকসংগীত, দেশীয় খাবার প্রস্তুতি-চিড়া, মুড়ি, খই, খেজুরের পায়েস, মাঠা, ইত্যাদি। এগুলোই পর্যটকরা দেখতে চায়, উপভোগ করতে চায়। এসব পণ্য প্রসারের লক্ষ্যে এবং তা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার জন্য সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। বর্তমানে অনেক প্রাইভেট ট্যুর অপারেটর গ্রামীণ জীবনযাপন পর্যটকদের দেখানোর জন্য গ্রামে নিয়ে যায়। এতে গ্রামীণ জনগণের তেমন উপকার হয় না। এজন্য গ্রামীণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো আমরা পর্যটন গ্রাম তৈরি করতে পারি। যেখানে পর্যটকদের জন্য হোম-স্টের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া গ্রামীণ পর্যটন উন্নয়নে ফার্মিং ট্যুরিজম, ইকো-ট্যুরিজম, গ্রিন ট্যুরিজম ইত্যাদির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ফার্মিং ট্যুরিজমের মধ্যে গ্রামবাংলার স্বকীয় কৃষি খামার ও জমির চাষাবাদ পদ্ধতি, ফসল কাটার দৃশ্য, সেচপ্রণালি, ফসল তোলা, গ্রামীণ মহিলাদের ধান শুকানো, ধান ওড়ানো এবং ধান ভানার দৃশ্য হতে পারে অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়া ইকো-ট্যুরিজম হতে পারে গ্রামবাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলি, নদী-নালা, খাল-বিল এবং দেশীয় মাছ, পশু, পাখিসহ নানা প্রজাতির জৈববৈচিত্র্য। গ্রামীণ ট্যুরিজমের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে গ্রিন ট্যুরিজম। অনেক বিদেশি বাংলাদেশের অবারিত সবুজের সমারোহ দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। গ্রিন ট্যুরিজমের সব উপাদানই বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বিদ্যমান। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত্, হেমন্ত ও শীত—সব ঋতুতে বাংলাদেশ সবুজে আচ্ছাদিত থাকে। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে প্রাথমিকভাবে ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোসহ ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, হালুয়াঘাট, সিলেট এবং সর্বোপরি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় গ্রামীণ পর্যটন উন্নয়ন করা যেতে পারে। উল্লিখিত এসব জেলায় এমনিতেই যথেষ্ট পর্যটন উন্নয়ন ও বিকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের গ্রামাঞ্চলে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশ পরিকল্পনা অবশ্যই পাশাপাশি থাকবে। পরিবেশকে ক্ষতি করে যেমন গ্রামীণ পর্যটন হবে না, আবার শুধু পরিবেশ রক্ষার দোহাই দিলেও পর্যটনের উন্নয়ন হবে না। বিষয়টি পরিপূরক। একে মূলত রেসপন্সিবল ট্যুরিজম বলা হয়।

গ্রাম পর্যটনকে সফল করতে হলে গ্রামের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ-গাইডিং, কুকিং, ইন্টারপ্রিটেশনসহ নানা প্রশিক্ষণ। সরকার গ্রামীণ পর্যটন উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য দূরীকরণের দিকে যথাযথ নজর দিলে ২০৩০ সাল নাগাদ সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন করতে পারে। বর্তমান বিশ্বে পর্যটন একটি লাভজনক এবং অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ ও বহুমুখী কর্মসংস্থান সহায়ক বড় শিল্প খাত। বিশ্ববাণিজ্যের ক্ষেত্রে অবদান রাখছে ৬ শতাংশ, যার পরিমাণ ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার। জানা গেছে, ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা প্রতি বছর থাকা, খাওয়া, ভ্রমণ, দর্শন এবং কেনাকাটা বাবদ খরচ করেন প্রায় ৫০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। আরো জানা গেছে, বিশ্বের প্রায় ৮৩ শতাংশ দেশের সবচেয়ে জাতীয় আয় আহরণকারী প্রথম পাঁচটি খাতের মধ্যে পর্যটন একটি বিশেষ খাত। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পর্যটকরা এখন পুরাকীর্তি, বাগান, পাহাড়, সাগর, ঝরনার পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজমের দিকে ঝুঁকছে। প্রকৃতির পাশাপাশি মানুষের বিচিত্র জীবনধারা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিও পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ছে।

অপরূপ বাংলাদেশটাকেও বিশ্বমানুষ তাদের অবকাশ যাপনের ঠিকানা হিসেবে ভাববে, যদি আমরা মেধাবী ও যোগ্য মানুষদের ঠিক জায়গায় বসাতে পারি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হিসেবে সুপরিচিত বাংলাদেশে রয়েছে একাধিক পর্যটনকেন্দ্র। এছাড়া রয়েছে সম্ভাবনাময় আরো বহু পর্যটনবিধৌত স্থান। সময়োপযোগী ও পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ গ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে এসব পর্যটন স্পট যদি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা যায়, তাহলে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পে নবদিগন্তের সূচনা হবে।

লেখক :চেয়ারম্যান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়