বগুড়ার শেরপুরে বালুমহালে অভিযানের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনায় আহত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের নৈশ প্রহরী মো. মনজুরুল হক বাচ্চু বাদী হয়ে শনিবার রাতে মামলাটি করেন। মামলায় ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৮০-৮৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মো. ফরহাদ হোসেন, মো. আলম প্রামাণিক, ইব্রাহীম হোসেন, মো. ওসমান গণি, মো. শাহিন শাহ, মো. মেহেদী হাসান, মো. রুবেল হাসান ও ফরহাদ হোসেন। এছাড়া মামলায় আরো অভিযুক্তরা হলেন—মো. হানিফ, মোতালেব হোসেন, মো. রাজু, মো. মিলন, মো. হায়দার আলী, আবু মুসা ও জাবেদ আলী।
শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম আবুল কালাম আজাদ জানান, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, হামলা-মারপিট ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে একটি মামলা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে আট জনকে গ্রেফতার করা হয়। মামলায় অভিযুক্ত অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃতদের গতকাল রবিবার দুপুরের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ইউএনও মো. লিয়াকত আলী সেখ তার দপ্তর ও ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের নিয়ে বাঙালি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে।
