গ্রামে-গঞ্জে খুব পরিচিত। ফুটকির ফল বৃতি দ্বারা আবৃত থাকে—এজন্য বেশ ফাঁপা, জাপানি লণ্ঠনের আকৃতির মতো দেখতে। ফুটকি দিয়ে হঠাত্ কপালে আঘাত করলে ‘ফট’ শব্দ করে ফেটে যায়। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ফুটকির ফল নিয়ে খেলা করে আনন্দ পায়।
ফুটকির ফলের ভিতর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ঔষধি রাসায়নিক দ্রব্য লুকিয়ে রয়েছে। যেমন ফাইসালিন, ট্যানিন ম্যালিক অ্যাসিড ও ভিটামিন সি। এই ফল বলকারক ও মূত্রজনিত রোগে অত্যন্ত উপকারী। বিরোচক গনোরিয়া রোগেও ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া ফুটকির ফল তরকারি হিসেবেও খাওয়া যায়।
ফুটকির ভালো বাংলা নাম হলো বনপেটারি। খেতের পাশে উঁচু জায়গায়, বাড়ির ভিটের পোড়ো জমিতেই সাধারণত জন্মায়। এর সংস্কৃত নাম টঙ্কারী।
ফুটকিগাছ তেমন দেখতে পাওয়া যায় না। কিছুদিনের মধ্যে হয়তো বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত হবে।
