ছাত্রীকে দফায় দফায় ধর্ষণ, পলাতক মাদ্রাসা সুপার

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২০, ২১:২১

কুষ্টিয়ার মিরপুরে এক মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে দফায় দফায় ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার। 

রবিবার ভোরে ৫টা ও রাত ৮টার দিকে ওই ছাত্রী দুই দফায় ধর্ষণের শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়। 

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা আফু বাদী হয়ে সোমবার মিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা মাদ্রাসায় ভাঙচুর করেছে।  

ওই মাদ্রাসায় ৩০/৩৫ জন ছাত্রী ছিলেন। তবে ঘটনার পর সব ছাত্রী মাদ্রাসা ছেড়ে চলে যান। 

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পোড়াদহ ইউনিয়নের সিরাজুল ইসলাম দারুল উলুম মরিয়ম নেছা মহিলা আবাসিক মাদ্রাসার সুপার আব্দুল কাদের রবিবার ভোর ৫টার দিকে ওই ছাত্রীকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর একই দিন রাত ৮টার দিকে আবারও ওই ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করেন।

ধর্ষণের পর মাদ্রাসা সুপার আব্দুল কাদের বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য কিশোরীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে সতর্ক করেন। কিন্তু ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী তার এক সহপাঠীকে বিষয়টি জানিয়ে দেয়। পরে ওই সহপাঠী ছাত্রীর বাবাকে মোবাইল ফোনে জানালে তিনি তার মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। 

মিরপুর থানা পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে সোমবার কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। 

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে।  শিগগিরই তাকে আটক করে আইনের কাছে সোপর্দ করা হবে। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ