বরিশাল বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম লঞ্চ। নদীর কলকলানিতে পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় গন্তব্যের দিকে যখন ভ্রমণ-তরি এগিয়ে চলে—বিষয়টি সত্যিই রোমাঞ্চকর। আজকাল এই রোমাঞ্চকর ভ্রমণের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যেই ভীতির সঞ্চার হচ্ছে লঞ্চে যাত্রীসেবায় নিয়োজিত স্টাফদের অশোভন আচরণের জন্য। কয়েক মাস আগে চরফ্যাশন ভোলা-ঢাকা রুটের এক লঞ্চে একা এক তরুণী উঠে কেবিন বয়দের কবলে পড়ে। আত্মরক্ষার জন্য তরুণী নদীতে ঝাঁপ দেয়। ধারেকাছে থাকা মাঝিরা তাকে উদ্ধার করে। এমন ঘটনা অহরহ ঘটে চলেছে। এ অবস্থায় স্টাফদের প্রতি মালিকপক্ষ কঠোর ব্যবস্থা না নিলে যাত্রীরা লঞ্চ ভ্রমণকে পরিহার করবে। প্রসঙ্গত, দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় যাত্রীদের হয়রানি রোধে মালিকপক্ষ কঠোর না হলে নৈতিক, মানবিক এবং সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি নেই। যা দেশের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে।
মাহমুদুল হাসান ইজাজ
শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ
