গাজীপুরের শ্রীপুরে এক স্কুল শিক্ষার্থী ও এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (৪ অক্টোবর) রাতে পৃথক ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। সকালে দু'জন ভিকটিমকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।
শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে মো: রুমান মিয়া (৩০) নামের অটোরিকশা চালককে শ্রীপুর থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে । ধর্ষক রুমান মিয়া উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে । ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী (১৩) স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুল শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ চারমাস পূর্বে রুমান মিয়া তার ছোট্ট মেয়ের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার্থীকে তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের চোখে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন অন্য রকম মনে হলে, পরিবারের সদস্যরা মেয়েকে ডাক্তারি পরীক্ষা করালে সে চার মাসের অন্ত:স্বত্তা বলে চিকিৎসক জানায়।
অপরদিকে প্রাইভেটকারে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রাম থেকে এক গৃহবধূকে কক্সবাজারের একটি হোটেলে রেখে ১৫ দিন ধরে ধর্ষণের ঘটনায় শ্রীপুর থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। তবে এ মামলায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। মামলা সূত্রে জানা যায়, তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের মো: রইস উদ্দিনের ছেলে জাহিদ হাসান জোর করে গৃহবধূকে (২৫) ফুসলিয়ে তুলে নিয়ে কক্সবাজারের একটি হোটেলে অবরুদ্ধ করে ধর্ষণ করে। গৃহবধূকে পার্শ্ববর্তী কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়ার গভীর জঙ্গলে ফেলে চলে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় উদ্ধার করে শ্রীপুর থানায় নিয়ে আসে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, পৃথক দু'টি ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক রুমান মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে গৃহবধূ ধর্ষণের মামলার আসামীদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে। তিনি আরোও জানান, ভিকটিম উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরিক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসআই
