মাস্ক কেলেঙ্কারি

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের ছয় কর্মকর্তাসহ সাত জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২০, ০০:১৫

নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) ছয় কর্মকর্তা ও জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলওয়ার বখত সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এর উপপরিচালক নূরুল হুদা বাদী হয়ে ঐ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

দুদক সচিব বলেন, আসামিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে পারেন, বিশ্বস্ত সূত্র থেকে আমাদের কাছে এমন তথ্য রয়েছে। এ জন্য তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। সূত্র জানায়, যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তারা হলেন, কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের উপপরিচালক ডা. জাকির হোসেন, সহকারী পরিচালক (স্টোরেজ অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন) ডা. শাহজাহান সরকার, চিফ কো-অর্ডিনেটর ও ডেস্ক অফিসার জিয়াউল হক, ডেস্ক অফিসার (বর্তমানে মেডিক্যাল অফিসার, জামালপুর) সাব্বির আহমেদ, স্টোর অফিসার (পিআরএল ভোগরত) কবির আহমেদ, সিনিয়র স্টোর কিপার ইউসুফ ফকির ও জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক। এদের মধ্যে আব্দুর রাজ্জাককে ঐদিনই রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুদক পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম গ্রেফতার করে। গতকাল সোমবার তাকে দ্বিতীয় দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

দেশ জুড়ে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর চিকিত্সক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ৫০ লাখ এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় জেএমআই হাসপাতাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডকে। এর মধ্যে কয়েক দফায় ২০ হাজার ৬১০টি মাস্ক সরবরাহ করে জেএমআই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করার পর মাস্কগুলো নকল বলে ধরা পড়ে।