ঠিকাদারের স্বীকারোক্তি
সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় বিশেষ খাতে সিংগাইরে একটি সড়কের কাজ না করেই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, কাজটির ঠিকাদার বলধারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তোতা। তিনি এ কাজেরও সভাপতি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অফিস সূত্রে জানা গেছে, বলধারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে জলিল কোম্পানির ইটের ভাটা পর্যন্ত সড়কটি পুনর্নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ কোঠায় লক্ষাধিক টাকার আট টন গম বরাদ্দ আসে; কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘এখানে কোনো ধরনের কাজ হয়নি। কাজ না হওয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী নেওয়ার ক্ষেত্রে এ সড়কে জলাবদ্ধ হয়ে বেহাল থাকায় আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে কাজ না হলেও কাজের বিল উত্তোলন করেছেন ঠিকাদার।’
বলধারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থানা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুল মাজেদ খান বলেন, ‘এমপি মমতাজ বেগমের বিশেষ বরাদ্দে এ সড়কটির কোনো কাজ না করেই ঠিকাদার আমার স্বাক্ষর নিতে এলে আমি স্বাক্ষর করিনি; কিন্তু পরে জানতে পারলাম এমপির কাছের লোক হওয়ায় পিআইও অফিসকে ম্যানেজ করে বিল উত্তোলন করে তা আত্মসাত্ করা হয়েছে। একই কথা বললেন এলাকার নারী ইউপি সদস্য রোকসানা হামিদ।
ঠিকাদার ও প্রকল্প সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন লতা অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘বন্যার পানি চলে আসায় সড়কে কাজ করা সম্ভব হয়নি। টাকা ল্যাপস হয়ে যাবে এমনটা শুনে পিআইওর নির্দেশে এখানে কাজ না করলেও এ সড়কের দক্ষিণে কাজ করে ৭০ হাজার টাকার বিল উত্তোলন করেছি। এদিকে পিআইও শহিদুল ইসলাম ইতিমধ্যে বদলি হয়ে যাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
