ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লা অংশের একাধিক স্থানে পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত ড্রেনগুলো কোনো কাজে আসছে না। ড্রেনগুলো কোথাও অসমাপ্ত, ভাঙা, আবর্জনায় ভরাট বা স্ল্যাব ভেঙে ড্রেনের ওপর পড়ে রয়েছে। এদিকে বৃষ্টির পানিতে ড্রেনগুলো উপচে সড়কজুড়ে পানির স্রোতসহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করছে। এই সমস্যা চান্দিনা, নিমসার, ময়নামতি সেনানিবাস, নিশ্চিন্তপুর, আমতলী ও আলেখারচরসহ বিভিন্ন স্থানে। অভিযোগ রয়েছে—অসমাপ্ত অবস্থায় ফেলে রাখা ড্রেন, নিম্নমানের কাজের কারণে কিছু কিছু এলাকায় অল্প দিনেই ভেঙে পড়ে। আবার অনেক স্থানে নির্মাণের পর ড্রেনের স্ল্যাবগুলো কে বা কারা মাঝখানে ফেলে রাখায় আশেপাশের দোকানপাট বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে গেছে। ঢাকনাবিহীন ডাম্প ট্রাক, ট্রাক বা ট্রাক্টরে করে অবাধে মাটি বালু পরিবহনের ফলে সেগুলো সড়কে জমে সড়কের দু’পাশে স্তূপ হয়ে যাওয়ায় পানি সরে না গিয়ে জমে থাকছে। ফলে মহাসড়কের স্থায়িত্বসহ সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। ড্রেনগুলো অব্যবহূত থাকায় দুর্গন্ধও ছড়াচ্ছে। ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় মহাসড়কের কুমিল্লাগামী অংশে ড্রেনটি কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সংযোগ হয়ে কিছুটা উত্তর দিক পর্যন্ত নির্মাণ করা হলেও সেটা অসমাপ্ত থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে সেনানিবাস ফুটওভারপাসের নিচ থেকে সদর উপজেলার আমতলী পর্যন্ত এক কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ড্রেনটিও অসমাপ্ত। আমতলী এলাকায় কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী অংশেও রয়েছে অসমাপ্ত ড্রেন, যা এখন অকার্যকর। ফলে স্বাভাবিকভাবে পানি নিষ্কাশন না হয়ে এসব স্থানে পানি জমছে নিয়মিত। এ অবস্থায়, দ্রুত ড্রেনগুলোর সংস্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মামশাদ কবীর
কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০
