বেকারত্বের গ্ল¬ানি মুছে যাক

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২০, ২১:১০

কাজের বাজারে চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থা সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনার এই সংকটকালে বাড়ছে বেকারত্ব। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০২০ সালে বেকার সংখ্যা ৩০ লাখের বেশি। এটির সঙ্গে একমত পোষণ করেছে আন্তর্জাতিক তথ্য সংস্থাও (আইএলও)। অর্থাত্ বর্তমানে ৩০ লাখের বেশি বেকার রয়েছে বাংলাদেশে। এই সমস্যা নিয়ে সরকার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বেড়েছে উদ্বেগ। সরকার এই সমস্যা নিরূপণে কাজ করার কথা বললেও করোনার কারণে বর্তমানে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। করোনাকালে বিভিন্ন খাতে চাহিদা কমে যাওয়ায় উত্পাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো পড়েছে বিপাকে। তারা বাধ্য হয়েছে কর্মী ছাঁটাই করতে। মূলত এই কারণে বেকারত্বের হার বেড়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সারা বিশ্বে ৩৩০ কোটি মানুষের মধ্যে ৮৫ শতাংশ মানুষ করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত। এই তথ্যমতে, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসংখ্যার তুলনায় কর্মসংস্থানের হার কম থাকায় প্রতিবছর শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একদিকে করোনা অন্যদিকে এই বেকারত্বের হার বৃদ্ধি যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেকারত্বের হার কমাতে হলে, দেশকে বেকারমুক্ত করে গড়ে তুলতে হলে সরকারের পাশাপাশি সর্বসাধারণকে একসঙ্গে এ অবস্থা উত্তরণে কাজ করতে হবে।

ইসরাত জাহান

শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, চট্টগ্রাম কলেজ