যশোরের চৌগাছায় ধর্ষণ প্রচেষ্টার অভিযোগে পাঁচদিন পরে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী গৃহবধূ। গত ৩ অক্টোবর ঘটনার দিনই অভিযোগ করলেও একটি মহলের তদবিরের কারণে পুলিশ মামলা রেকর্ড করতে বিলম্ব করেছে বলে ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ। পুলিশ বলছেন একটু সময় নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার পরিবার জানিয়েছেন, গত ৩ অক্টোবর সকালে উপজেলার স্বরুপদাহ গ্রামে নিজ বাড়ির গোসলখানায় গোসল করছিল গৃহবধূ। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সোহাগ হোসেন (২২) গোসলখানায় প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। গৃহবধূ ডাকচিৎকার দিলে সোহাগ পালিয়ে যায়।
ঘটনার দিনই গৃহবধূ বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় একটি অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি একটি পক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মামলা বন্ধ রাখার চেষ্টা করে। তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা চৌগাছা থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই কাওসার বিষয়টি পারিবারিকভাবে আপোষ করার জন্য বলেন।
আরও পড়ুন: গৃহকর্তা কর্তৃক শিশু গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ২
সেকেন্ড অফিসার এসআই কাওসার বলেন, ‘বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। যে কারণে সময় নিয়ে তদন্ত করেছি। তদন্ত করে ঘটনাটির সত্যতা পেয়েছি। ঘটনায় সোহাগ হোসেনকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আসামি করে (অসৎ উদ্দেশে যৌন নিপীড়ন করার অপরাধ) ৭ অক্টোবর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
ইত্তেফাক/এএএম
