ভূঞাপুরে অভিনব কায়দায় যমুনা নদীতে নৌকা ভাসিয়ে তাতে জুয়ার আসর বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েক জন জানান, দিনদুপুরে যমুনা নদীতে ভাসমান ঐ নৌকায় জুয়ার আসর বসছে। আয়োজকরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না তারা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জুয়াড়িরা ছোট খেয়ানৌকাযোগে ভাসমান বড় নৌকায় গিয়ে নামছে। আর বড় নৌকাগুলোতেই বসে জুয়ার আসর। জেলার ভূঞাপুর উপজেলার কুঠিবয়ড়া হতে গাবসারার রামপুর পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে জুয়াড়িদের ভাসমান নৌকার আনাগোনা চলে। শুধু জুয়াই নয় এর সঙ্গে মাদকসেবন ও বিক্রি চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী যমুনা ঘাটসংলগ্ন কাশবনে জুয়াড় আসরের সংবাদ সংগ্রহে গেলে হামলার শিকার হতে হয় সাংবাদিকদের। মামলা হলে গ্রেফতার হয় ফজল মণ্ডলসহ আট জন। বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি সোহেল তালুকদার বাদী হয়ে মামলা করার পর থানা পুলিশ ফজল মণ্ডলসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোপত্র দেয়। গোবিন্দাসী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল মান্নান জানান, যমুনা নদীর বঙ্গবন্ধু সেতু হতে গোপালপুরের নলীন পর্যন্ত নৌ-পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করে। এরমধ্যে কোথাও নদীতে ভাসমান নৌকায় জুয়া খেলার কোনো খবর নেই। তবে থানার অধীন বিভিন্ন নদীর শাখা-প্রশাখা বা খালগুলোতে হয়তো বা জুয়া খেলতে পারে। ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশিদুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীতে ভাসমান নৌকায় জুয়া খেলার কোনো তথ্য নেই। তবে সিরাজগঞ্জের সীমনায় জুয়া খেলার খবর পাওয়ার পর সেখানকার থানা পুলিশের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
