ক্লাসে শিক্ষাগ্রহণের পাশাপাশি আরো কিছু শিক্ষার স্তর থাকে। এর অন্যতম একটা মাধ্যম ক্যাম্পাসের বাস। যেখানে জুনিয়ররা শিখতে পারে অনেক বাস্তব শিক্ষা। বাসের গেটে দাঁড়িয়ে সিনিয়রদের সঙ্গে গলায় গলা মিলিয়ে গান গাওয়া কিংবা আড্ডায় মেতে ওঠার মজা কখনোই ভুলতে পারার নয়। ক্যাম্পাস-বাসে যাতায়াতের মাধ্যমে তৈরি হয় একে অন্যের প্রতি এক ভালোবাসার বন্ধন। তখন লাখ টাকার প্রাইভেট কারকে ‘প্লাস্টিক’ বলে সম্বোধন করতে ভয় পায় না গ্রাম থেকে আসা লাজুক ছেলেটিও!
আসলেই কি ক্যাম্পাসের বাসগুলো এখন ভালো আছে? হয়তো নেই। করোনার ছোবলে তারাও হাহাকার করছে; কেননা তাদের চাকাগুলো যে আজ অনেক দিন ব্যস্ত রাস্তায় চলতে পারছে না। তাদের সিটগুলো খালি পড়ে আছে দিনের পরে দিন। একদিন হয়তো করোনা থেকে আমরা মুক্তি পাব। আমাদের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্পাসের বাসগুলোও অপেক্ষায় আছে সেই সোনালি দিনের আশায়। ইনশাআল্লাহ আবারো বাসের গেটে দাঁড়িয়ে ‘চুমকি চলেছে একা পথে’ কিংবা ‘ও মাইয়া লাল গোলাপি’র মতো গানে আসর জমাবে হাজারো ক্যাম্পাসিয়ানরা।
মো. তানভীর হোসেন
শিক্ষার্থী,
প্রাণিবিদ্যা বিভাগ,
ঢাকা কলেজ
