৪০ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন

মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২০, ২২:০৮

৪০ লাখ টাকা ঘুষ-লেনদেনের মামলায় পুলিশের সাময়িক বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। গতকাল বুধবার এই মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দেন দুদকের সহকারী পরিচালক আজিজুল হক ও কনস্টেবল আলীমুজ্জামান। পরে তাদের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে আগামী ২১ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করে দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম। ইতিমধ্যে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ সাক্ষীর মধ্যে ছয় জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছে আদালত।

গত বছরের ৯ জুন একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতির অনুসন্ধান থেকে দায়মুক্তি পেতে দুদক পরিচালক বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন ডিআইজি মিজান। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত কথোপকথন রেকর্ড করে ওই চ্যানেলকে দিয়েছিলেন মিজান। ডিআইজি মিজানও এ বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে সাক্ষাত্কার দেন। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা থেকে বাঁচতে ওই অর্থ ঘুষ দেন বলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন। পরে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ ও প্রদানের অভিযোগে পুলিশ ও দুদকের সাময়িক বরখাস্তকৃত ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত ১৬ জুলাই মামলা করা হয়। এরপর তাদের কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এখনো তারা কারাগারে রয়েছেন। গতকাল সাক্ষ্যগ্রহণের দিনে তাদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। গত ১৮ মার্চ এ মামলায় দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে যায়। পাঁচ মাস পর কোর্ট খুললে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।