একাত্তরের যে দিনটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, সেই ৭ই মার্চকে ‘ঐতিহাসিক দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপনসংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রের ‘ক’ ক্রমিকে ৭ই মার্চকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরে সচিবালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এ দিনটি (৭ই মার্চ) ঐতিহাসিক দিন, সবাই জানেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃঢ় বলিষ্ঠ নেতৃত্বের নির্দেশনা ও জাতীয় জাগরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেওয়া ভাষণে।’
বিভিন্ন দেশের ৭৭টি ঐতিহাসিক নথি ও প্রামাণ্য দলিলের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ যুক্ত করেছে ইউনেস্কো। সেই প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ইউনেস্কো এই ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেই বিবেচনায় জাতীয় জাগরণ ও স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণার উত্স হিসেবে দিবসটি উদযাপন করা খুবই প্রাসঙ্গিক।’
তিনি বলেন, সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা এই দিবস তাদের নিজস্ব কর্মসূচির মাধ্যমে উদ্যাপন ও বাস্তবায়ন করবে।’ তবে ঐ দিন কোনো ছুটি থাকবে না।
