সিলেটে ছাত্রবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ফের রিমান্ডে সাইফুর

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২০, ১৪:৩৭

সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার পর  অভিযান চালিয়ে ছাত্রবাস  থেকে অস্ত্র উদ্ধার মামলায় সাইফুর রহমানকে তিনদিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে সাইফুলকে আদালতে হাজির করে পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। পরে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান। 

বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি খোকন কুমার দত্ত। এর আগে অস্ত্র মামলার একমাত্র আসামি সাইফুর রহমানকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।

কলেজের ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার  মামলায়  আসামি সাইফুরকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে গত ২ অক্টোবর সাইফুর রহমানকে সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জিয়াদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হলে ধর্ষণের দায় স্বীকার করে  ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় সাইফুর। পরেে আদালত তাকে  কারাগারে পাঠায়।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর এমসি কলেজ এলাকায় প্রাইভেট গাড়িতে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গেলে স্বামী কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা।  এ সময় স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়। 

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদি হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে ঘটনার দিন মধ্যরাতে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে  পুলিশ সাইফুরের রুম থেকে পাইপগান,  রামদা,  লোহার পাইপসহ বিভিন্ন 
অস্ত্র উদ্ধার করে। পরদিন শনিবার এম সাইফুর রহমান (২৮) কে আসামি করে ও পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ  মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিরা হচ্ছে, সাইফুর রহমান ,শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অর্জুন লস্কর, বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ। এজাহারভক্ত ছয় আসামি ও এজহার বহির্ভূত রাজন, আইনুলসহ  মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে পাঁচদিন করে প্রত্যেককে রিমান্ডে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইতিমধ্যে রিমান্ড শেষে সকলেই কারাগারে। 

ইত্তেফাক/এসি