অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ হত্যায় আসামিদের আমৃত্যু কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০২০, ১৫:২৯

চট্টগ্রামের নাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরি হত্যা মামলায় তিনজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে ভার্চুয়াল আপিল বিভাগ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে ৬ অক্টোবর ওই তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার নতুন করে এ অর্থ দণ্ড দেয়া হলো। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন- তসলিম উদ্দিন ওরফে মন্টু, আজম ও আলমগীর কবির ওরফে বাইট্টা আলমগীর। 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত জানান, গত ৬ অক্টোবর রায়ে তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন। কিন্তু ঘোষিত রায়ে জরিমানা আরোপের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়নি। বৃহস্পতিবার আদেশে আপিল বিভাগ তিন আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করে। অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। 

আরো পড়ুন : সিলেটে ছাত্রবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ফের রিমান্ডে সাইফুর

২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর নাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরীকে (৬০) জামায়াত-শিবির ক্যাডাররা চট্টগ্রাম মহানগরের জামাল খান রোডের বাসায় গুলি করে হত্যা করে। ওইদিনই তার স্ত্রী রেলওয়ের তৎকালীন অডিট কর্মকর্তা উমা মুহুরি বাদী হয়ে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার বিচার শেষে নাসির ওরফে গিট্টু নাসির, আজম, আলমগীর কবির ওরফে বাইট্টা আলমগীর ও তসলিম উদ্দিন ওরফে মন্টুকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এছাড়া আসামি মহিউদ্দিন ওরফে মহিনউদ্দিন, হাবিব খান, সাইফুল ওরফে ছোট সাইফুল ও শাহাজাহানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। 

পরবর্তীকালে মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছে। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন। এর মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গিট্টু নাসির ক্রসফায়ারে মারা যান। মারা যান যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ছোট সাইফুলও। 


ইত্তেফাক/ইউবি