খুলনার ডুমুরিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ চারজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। যাত্রীবাহী দুটি বাস একটি মাহিন্দ্রা ও একটি ভ্যানকে চাপা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার ডুমুরিয়া উপজেলার শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের সামনে ও জিলেরডাঙ্গা নামক স্থানে এই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, মাহিন্দ্র চালক ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের আরাজি সাজিয়াড়া গ্রামের মৃত নেছার আলী বিশ্বাসের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৫৫), সাহস গ্রামের আব্দুল খাদেম শেখের ছেলে মিজানুর রহমান (৫৫), যশোরের কেশবপুর উপজেলার খোর্দ গ্রামের নওশের আলী দফাদারের ছেলে হাবিবুর রহমান (৪০) এবং ডুমুরিয়া উপজেলার কোমলপুর গ্রামের নাজির মোল্লার স্ত্রী হালিমা বেগম (৫৫)।
খর্ণিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ রেজাউল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রী ভর্তি একটি মাহিন্দ্র ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের সামনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী নামাচ্ছিল। এ সময় সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগামী হাওলাদার পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-০৮৯১) মাহিন্দ্রকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে মাহিন্দ্র চালক আমিনুল ইসলাম নিহত এবং মাহিন্দ্র যাত্রী মিজানুর রহমান, হাবিবুর রহমান, হাবিবুর রহমান, তার স্ত্রী সুমি আক্তার, জিয়ালতলা গ্রামের পলি রায় ও দাকোপ উপজেলার বাসন্তী রানী আহত হয়। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর গুরুতর আহত মিজানুর রহমান ও হাবিবুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
অপদিকে, দুপুর দেড়টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের জিলেরডাঙ্গা নামক স্থানে সাতক্ষীরাগামী একটি বাস (নারায়ণগঞ্জ জ-০৪-০০০৫) একটি ভ্যানকে চাপা দিলে ভ্যান যাত্রী হালিমা বেগম ঘটনাস্থলে নিহত ও তার ছেলে ভ্যান চালক শফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। আহত শফিকুলকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বিপ্লব জানান, বাস দুটি আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে দ্বিতীয় দুর্ঘটনার চালককে জনগণ আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এসি
