দ্বিতীয় প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক হবে ভার্চুয়াল অংশ নেবেন না ট্রাম্প

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২০, ০০:১৮

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয় মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক ভার্চুয়ালি হবে বলে জানিয়েছে এই বিতর্কের আয়োজক স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ধরনের বিতর্কে অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন। এর ফলে বিতর্ক আসলে হবে কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্প তো সেকেন্ডে সেকেন্ডে মন পরিবর্তন করেন। এদিকে ভাইস প্রেসিডেন্ট বিতর্কে খুশি বলে জানিয়েছেন মার্কিনিরা। জরিপে ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী কমলা হ্যারিসের জয় হয়েছে বলে জানা গেছে। খবর রয়টার্স ও সিএনএনের

আগামী ১৫ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট বিতর্ক হবে। তৃতীয় ও শেষটি হবে ২২ অক্টোবর। প্রথম বিতর্কের পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করোনা ভাইরাসে সংক্রমণ হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। এর ফলে দ্য কমিশন অন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট জানিয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগের মতোই সবকিছু ঠিক থাকবে। তবে এটা হবে ভার্চুয়ালি। কিন্তু এ বিষয়ে রিপাবলিকান পার্টি এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি বলে উভয় পার্টির প্রচারণা বিভাগ জানিয়েছে। যদিও বাইডেন বলেছেন, তিনি যে কোনো প্রস্তাবে সম্মত। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অংশ না নিলে কী করবেন সেই বিষয়ে তিনি কিছু বলতে পারছেন না বলে জানান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কমিশনের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, এটা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি নির্বাচনি প্রচারণা চালাবেন বলেও জানিয়েছেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট বিতর্কে যা হলো

বাংলাদেশ সময় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ভাইস প্রেসিডেন্ট বিতর্ক স্বাভাবিকভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মূল ইস্যু ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের করোনা ভাইরাস মহামারি প্রতিরোধের পরিকল্পনা। ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস মার্কিনিদের জীবন রক্ষায় সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন। তবে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী মাইক পেন্স বলেছেন, সরকার সঠিক পদক্ষেপই নিয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা বরং হোয়াইট হাউজের পরিকল্পনা চুরি করেছেন। বিতর্কে দুই প্রার্থী ভদ্রতার পরিচয় দিয়েছেন বলে মার্কিনিরা মত দিয়েছেন। সিএনএনের তাত্ক্ষণিক জরিপে দেখা গেছে, ৫০ ভাগ মার্কিনি কমলা হ্যারিসকে জয়ী বলে উল্লেখ করেছেন এবং ৩৮ ভাগ বলেছেন, পেন্সই ভালো করেছেন। বিতর্কের আগে ৬১ শতাংশ মার্কিনি বলেছিলেন, হ্যারিস জয়ী হবেন এবং ৩৬ ভাগের মত ছিল পেন্সের পক্ষে।