স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন, ‘করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সাতটি মাস নিরলসভাবে কাজ করে গেছে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে যুক্ত চিকিত্সক, নার্স, টেকনোলজিস্টসহ অন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। তারা সবাই ডিউটি করেছে বলেই করোনায় বাংলাদেশের মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে কম দেশের কাতারে রয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এখনো প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। আমাদের মতো একটি ঘন জনবসতিপূর্ণ দেশে আক্রান্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার ১.৩-এর সামান্য বেশি। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের করোনা চিকিত্সায় যে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে আমাদের দেশে আগে থেকেই করোনার মারাত্মক রোগীকে একই ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের হটলাইনে এ পর্যন্ত কোটির উপরে ফোন কল এসেছে। আবার, টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৪০ লাখ মানুষকে করোনাকালীন স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত ‘হেলথ মিনিস্টারস ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড-২০১৯’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫১টি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ মি. বার্ধন রানা, এমআইএস এর পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
