ধর্ষক মামা-চাচা গ্রেফতার

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২০, ২০:৫৭

করোনা মহামারীর মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। খুলনায় ধর্ষণের অভিযোগে মামা ও ছাগলনাইয়ায় চাচাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

খুলনা অফিস ও পাইকগাছা সংবাদদাতা জানান, খুলনায় পাঁচদিন পর ধর্ষক মামা আসানুর রহমানকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গত ৪ অক্টোবর রাতে রাড়ুলি গ্রামের আব্দুল মালেক গাজীর ছেলে আসানুর রহমান একই গ্রামের তার দূর সম্পর্কের চাচাতো বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। রাত সাড়ে ১০টায় দিকে সে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাড়ির ৫জনকে পান করায়। কিছুক্ষণ পর তারা অচেতন হয়ে পড়লে সে তার চাচাতো বোনের মেঝ মেয়েকে ধর্ষণ করে। ওই রাতেই অচেতন অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাদের পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বিষয়টি গোপন রাখা হলেও পরে তা প্রকাশ হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে ভিকটিমের বাবা পাইকগাছা থানায় ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। দুপুর পৌঁনে ৩টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মামা আসানুর রহমানকে গ্রেফতার করে।

এ ব্যাপারে পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজ শফী জানান, বিষয়টি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে ধর্ষককে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ছাগলনাইয়া (ফেনী) সংবাদদাতা জানান, ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর যশপুর গ্রামে ৪বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে আপন চাচাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্বজনরা।

৫ অক্টোবর সোমবার দুপুর ২টায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক ইমন ফারুক বাদশা (২০) মহামায়া ইউনিয়নের উত্তর যশপুর গ্রামের উত্তর পাড়ার মৃত রবিউল হক কন্ট্রাক্ট্ররের ছেলে।

নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা বাদী হয়ে ৮ অক্টোবর বিকালে ছাগলনাইয়া থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

শুক্রবার বিকাল ৪টায় ধর্ষকের স্বজনরা সোনাগাজীতে পালিয়ে থাকা ধর্ষক ইমন ফারুক বাদশাকে কৌশলে ছাগলনাইয়ায় ডেকে এনে আটক করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন।

এসআই  নাঈম উদ্দিন জানান, শিশুটি নিজ বাড়িতে খেলা করার সময় তার আপন চাচা ইমন ফারুক বাদশা চিপস কিনে দেয়ার লোভ দেখিয়ে তার ঘরে শয়ন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুটির চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষক বাদশা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত শিশুটিকে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ইত্তেফাক/এমআরএম