নতুন শুরুর আশায় সাব্বির

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২০, ২১:২০

স্পোর্টস রিপোর্টার

অনেক সম্ভাবনা নিয়ে জাতীয় দলে এসেছিলেন সাব্বির রহমান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার বিচরণের মেয়াদকাল ছয় বছর। কিন্তু গত এক বছর ধরে জাতীয় দলের বাইরে সাব্বির। ব্যাট হাতে পড়তি ফর্মই যার মূলে। সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন গত বছর সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। তারপর ভারত সফর, পাকিস্তান সফর ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজে বাংলাদেশ দলে ছিলেন না তিনি।

সময়টা ভালো যাচ্ছে না সাব্বিরের। এমনকি ঘরোয়া ক্রিকেটেও একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন তিনি। গত মাসে জাতীয় দলের স্কিল ক্যাম্পেও ঠাঁই হয়নি তার। তবে নির্বাচকদের ভাবনার বাইরে চলে যাননি ২৮ বছর বয়সি ক্রিকেটার। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একাদশে রাখা হয়েছে তাকে।

গতকাল করোনা পরীক্ষার নমুনাও দিয়েছেন তিনি। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপকে নিজেকে পুনরায় প্রমাণের মঞ্চ হিসেবেই দেখছেন সাব্বির। ফিরতে চান মূল স্রোতে তথা জাতীয় দলে। সুযোগ কাজে লাগাতে শতভাগ চেষ্টা করবেন তিনি।

আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন, দুর্দান্ত ফিল্ডার, বোলিংটাও পারেন সাব্বির। টানা পাঁচ বছর জাতীয় দলে খেলছেন। তিন ফরম্যাটে ১২১টি ম্যাচ খেললেও জায়গা পাকা করতে পারেননি। এখন পুরোনো ছন্দে ফিরতে মরিয়া এই ক্রিকেটার। মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে নিজের সেরাটা মেলে ধরতে চান সাব্বির।

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে নিজের লক্ষ্য জানাতে গিয়ে গতকাল তরুণ এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘প্রতিটি দিনই নতুন দিন, নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন সুযোগ। এটা আমার জন্য একটা সুযোগ। এটা ভালোভাবে শতভাগ কাজে লাগাতে পারলেই ভালো কিছু হবে। ইনশাল্লাহ আমি যেন কামব্যাক করতে পারি। এটা আমার জন্য ভালো প্ল্যাটফর্ম। নিজেকে যেন মেলে ধরতে পারি। সৌভাগ্য যে এখানে সুযোগ পেয়েছি। এখন নিজের সেরাটা দিতে চেষ্টা করব।’ যদিও এই টুর্নামেন্টে সব ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়তো পাবেন না সাব্বির।  

করোনাকালের শুরুতে মিরপুরে ব্যক্তিগত অনুশীলনে ছিলেন সাব্বির। পরে মিরপুরে মুমিনুলদের দলগত অনুশীলনের সময় একাকী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কাজ করেছেন তিনি। মূলত ফিটনেসের কাজই করেছেন। গতকাল সাব্বির বলেছেন, ‘যখন জাতীয় দলের অনুশীলন চলছিল আমি বাইরে ব্যাটিং করেছি। অনেক করতে পারিনি। সুযোগ-সুবিধা কম। ফিটনেসের কাজ করেছি নিয়মিত। যতটুকু সুযোগ ছিল আমার, তা আমি শতভাগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করেছি।’