তার পরও ভয়ে ছিলেন ওয়ার্নার

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২০, ২১:২১

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিশাল রানের লক্ষ্য, প্রতিপক্ষে সেভাবে কেউ ভালো করতে পারছে না। তার পরও ম্যাচ হারের শঙ্কা পেয়ে বসেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নারকে। কারণ, তিনি নিকোলাস পুরানের ক্ষমতা সম্পর্কে জানতেন। যদিও শেষ পর্যন্ত পুরান ম্যাচ বের করতে পারেননি। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ৬৯ রানের বিশাল জয় পেয়েছে সানরাইজার্স হায়দারাবাদ।

আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ২০১ রান করেছিল হায়দরাবাদ। ওয়ার্নার ৫২ ও জনি বেয়ারস্টো ৯৭ রান করেছিলেন। দুই জনে উদ্বোধনী জুটিতেই যোগ করেছিলেন ১৬০ রান। জবাব দিতে গিয়ে ১৬.৫ ওভারে ১৩২ রানে অলআউট হয় পাঞ্জাব। ৩৭ বলে ৭৭ রান করে একাই পালটা আক্রমণ করেছিলেন পুরান।

পুরানের সম্পর্কে ওয়ার্নারের ধারণাটা হয়েছিল বাংলাদেশে। বিপিএলে দুই জন একসঙ্গে সিলেট সিক্সার্সের হয়ে খেলেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ওয়ার্নার বলছিলেন, ‘উপভোগ্য ম্যাচ ছিল। তবে চার ওভারের মতো বাকি থাকতে খানিকটা নার্ভাস হয়ে গিয়েছিলাম, যখন পুরান বল মাঠের বাইরে আছড়ে ফেলছিল। বাংলাদেশে আমি তার সঙ্গে খেলেছি। সে যখন এভাবে ক্লিন হিট করা শুরু করে, তখন কঠিনভাবেই ভাবতে হয়।’

ম্যাচ বের করার কৃতিত্ব দিলেন ওয়ার্নার ১২ রানে ৩ উইকেট নেওয়া রশিদ খানকে। বলছিলেন, ‘রশিদ অবশ্যই দুর্দান্ত বোলার, অনেক সম্মানও পায় সে। বিশ্বমানের বোলার সে, তার মতো একজনকে দলে পাওয়া দারুণ।’

২০১৯ বিপিএলে ওয়ার্নার ও পুরান একসঙ্গে খেলেছেন সিলেট সিক্সার্সে। চোট নিয়ে ফিরে যাওয়ার আগে সিলেটকে যে সাতটি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ওয়ার্নার, তার ৫টিতেই দেখা গেছে পুরানের ব্যাটিং ঝলক। ক্যারিবিয়ান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান খেলেছিলেন ২৬ বলে ৪১, ৩২ বলে ৫২, ৯ ছক্কায় ৪৭ বলে ৭২, ১৬ বলে ২৬, ২৭ বলে অপরাজিত ৪৭ রানের ইনিংস। সব মিলিয়ে বিপিএলের ওই আসরে প্রায় ১৬০ স্ট্রাইক রেটে পুরান করেছিলেন ৩৭৯ রান।