বিজয়নগরে ড্রাগন ফল চাষে সাফল্য

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২০, ২১:২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের খাটিঙ্গা গ্রামের আলমগীর এখন স্থানীয়দের কাছে ড্রাগন ফলচাষি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ড্রাগন ফলের চাষাবাদ শুরু করে এক বছরে তিনি পেয়েছেন সফলতা। চাষি আলমগীর জানান, প্রবাস থেকে ফিরে নতুন কিছু চাষাবাদ করার কথা ভাবছিলাম। এক দিন কথা হয় কৃষি মাঠ উপসহকারী কর্মকর্তার সঙ্গে। তিনি আমাকে ড্রাগন চাষের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করেন। তার পরামর্শে এক বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের আবাদ শুরু করি। তার দিয়ে বেড়া, সিমেন্টের খুঁটি বানানো, গেইট করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। চারা লাগানোর এক বছরের মধ্যে ফল বিক্রি করতে পারব তা আগে ভাবিনি। বাগানে শুধু পিংক জাতের বা বারি-১ জাতের ড্রাগনের চারা রোপণ করা হয়েছে। প্রতি কেজি ৩০০ টাকা দরে এখন পর্যন্ত ১ লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছি। সামনে আরো বেশি জায়গায় এর আবাদ করার চিন্তা করছি। বাগানে আট মাসে ফুল এবং ৪৫ দিন হতে ফল বিক্রি শুরু করেছি। ফল দেখতে ও কিনতে প্রায়ই অনেকে আসেন।

কৃষি উপসহকারী মাঠ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম বলেন, এই এলাকার মাটি এবং আবহাওয়া ড্রাগন চাষের জন্য বেশ উপযোগী। আমরা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের পক্ষ থেকে সর্বদা বাগানটি পরিদর্শন করে ঐ চাষিকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খিজির হোসেন প্রামাণিক বলেন, আলমগীরের সাফল্য এলাকার অন্য সব কৃষকদেরও ড্রাগন চাষে অনুপ্রাণিত করবে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট হতে উদ্ভাবিত বারি-১ পিংক জাতের ড্রাগন ফলটি দেখতে সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। একবার চারা লাগালে বছরে আট মাস ফল হার্বেস্ট করা যায়। একটি গাছ থেকে এক মণ ফল আহরণ সম্ভব এবং ২০ বছর যাবত্ ফল আহরণ করা যায়।