কৃত্রিম সংকট তৈরি
যশোর অফিস
সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ধান-চাল মজুত করায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী যশোরের সদর, চৌগাছা ও শার্শা উপজেলায় বিভিন্ন ধান-চালের গুদাম ও অটোমিলে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পাইকারি ব্যবসায়ী পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ দিন, খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৫ দিন ধান-চাল মজুত রাখার বিধান থাকলেও অনেক গুদাম ও মিল পরিদর্শন করে অনিয়ম পাওয়া যায়। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আতিকুর রহমান মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
চৌগাছা উপজেলার এ বি এগ্রো রাইস প্রসেসিং মিল লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা ও বিভিন্ন অপরাধের কারণে মিলের স্বত্বাধিকারী মো. আক্তারুজ্জামানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও সতর্ক করা হয়। তার প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত রেজিস্টার পরীক্ষা করে দেখা যায়, ২০১৯ সালের চালও মজুত রয়েছে। তাকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মজুত শেষ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অন্যথায় রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হবে বলে অঙ্গীকার নেওয়া হয়। এছাড়া, যশোর সদর উপজেলার সাতমাইল বাজারে অবস্থিত এসকে আটো রাইস মিল পরিদর্শন করে অবৈধ মজুতদারির বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
