পাঠ্যবই পড়ে সেখান থেকে নিজে নিজে প্রশ্ন তৈরি করা ও সাথে সাথে উত্তর তৈরি করা ‘আমরা পড়ি’-এর প্রধান কাজ। এতে শিক্ষার্থীর পুরো অধ্যায় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা সৃষ্টি হবে এবং জ্ঞানস্তর ও বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়ক হবে।
১. প্রাণীকূলের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত পাওয়া যায় কীভাবে?
উ:শ্রেণিবিন্যাসের মাধ্যমে।
২. ধীরে ধীরে প্রাণীকূলের পরিবর্তন সম্পর্কে কীভাবে ধারণা পাওয়া যায়?
উ:শ্রেণিবিন্যাস এর মাধ্যমে।
৩. অসংখ্য প্রাণীকূলকে কীভাবে গোষ্ঠীভুক্ত করা যায়?
উ:একটি নির্দিষ্ট রীতিতে বিন্যস্ত করে।
৪. প্রাণীদের মধ্যে কীভাবে পরস্পরের মধ্যে সম্বন্ধ নির্ণয় করা যায়?
উ:মিল-অমিলের ভিত্তিতে।
৫. প্রাণী সম্পর্কে সামগ্রিক ও পরিকল্পিত জ্ঞান কীভাবে নির্ণয় করা যায়?
উ:শ্রেণিবিন্যাস এর মাধ্যমে।
৬. বহুকোষী প্রাণীদের কয়টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে?
উ:৯ টি।
৭. সব এককোষী প্রাণীদের কয়টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে?
উ: ১ টি।
৮. সিলেন্টেরন কী দিয়ে ঘেরা থাকে?
উ: প্রাচীর দিয়ে।
৯. ভ্রুণের যে সকল কোষীয় স্তর থেকে পরবর্তীতে টিস্যু বা অঙ্গ সৃষ্টি হয় তাদের কী বলে?
উ:ভ্রুণস্তর।
১৮০. ভ্রুণস্তর কীভাবে সৃষ্টি হয়?
উ:ভ্রুণের কোষীয় স্তর থেকে।
১০. বহুকোষী প্রাণীর পৌষ্টিকনালি ও দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানকে কী বলে?
উ:সিলোম।
১১. সিলোমের অবস্থান কোথায়?
উ: পৌষ্টিকনালি ও দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে।
১২. হিমোসিলের মধ্য দিয়ে কী প্রবাহিত হয়?
উ:রক্ত।
১৩. আর্থোপোডা পর্বের প্রাণীদের রক্ত কিসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়?
উ: হিমোসিলের মধ্য দিয়ে।
১৪. মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের দেহ কী দ্বারা আবৃত থাকে?
উ: ম্যান্টল।
১৫. যে সমস্ত প্রাণীদের এদের দেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিকবার সমান দু-অংশে ভাগ করা যায় তাকে কী বলে?
উ:অরীয় প্রতিসম।
১৬. অরীয় প্রতিসম প্রাণীদের কীভাবে ভাগ করা যায়?
উ:কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিকবার।
১৭. অরীয় প্রতিসম প্রাণীদের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিকবার কয় অংশে ভাগ করা যায়?
উ:দু-অংশে।
১৮. কর্ডেট নামে পরিচিত কোন পর্বের প্রাণীরা?
উ:কর্ডাটা।
১৯. প্রাণীজগতে কোন পর্বের প্রাণীরা উন্নত প্রাণী?
উ:ভার্টিব্রাটা।
২০. কোন পর্বের প্রাণীদের নটোকর্ড মেরুদণ্ডে পরিবর্তিত হয়?
উ:ভার্টিব্রাটা।
২১. ভার্টিব্রাটা পর্বের প্রাণীদের মেরুদণ্ডের পূর্বের অবস্থার নাম কী?
উ:নটোকর্ড।
২২. কীভাবে মস্তিষ্কের সৃষ্টি হয়?
উ:স্নায়ুরজ্জুর সম্মুখ প্রান্ত স্ফীত হয়ে।
২৩. স্নায়ুরজ্জুর সম্মুখ প্রান্ত স্ফীত হয়ে কিসের সৃষ্টি হয়?
উ:মস্তিষ্কের।
২৪. মস্তিষ্ক কোথায় সুরক্ষিত থাকে?
উ:করোটিতে।
২৫. করোটিতে কী সুরক্ষিত থাকে?
উ: মস্তিষ্ক।
২৬. জলজ ভার্টিব্রাটা কিসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়?
উ:ফুলকার সাহায্যে।
২৭. স্থলে বাস করা ভার্টিব্রাটা কিসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়?
উ:ফুসফুসের সাহায্যে।
২৮. ক্ষতিকর পোকাদের কী বলে?
উ: পেষ্ট।
২৯. পেষ্ট কী?
উ: ক্ষতিকর পোকা।
