বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের সম্বল বলতে তার ভিটেমাটি ও খামারের প্রাণিগুলোই। প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ আমাদের এই দেশে, গবাদিপ্রাণির ক্ষয়ক্ষতি বা মৃত্যু নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। প্রাণিসেবা লিমিটেডের উদ্ভাবিত নতুন সেবা ইজি প্যাকেজের লক্ষ্য খামারিদের সেই ঝুঁকি কমিয়ে তাদের জীবন আরো সহজ করে তোলা। এই প্যাকেজের মাধ্যমে খামারি তার গবাদি প্রাণির কিছু ছবি তুলেই খামার ব্যবস্থাপনাসেবা ছাড়াও পাচ্ছেন বহুল আকাঙ্কি্ষত প্রাণিবীমা। মুখ স্বীকৃতি (ফেস রিকগনিশন) টেকনোলজির মাধ্যমে প্রাণিবীমার এই ব্যবস্থা বাংলাদেশে প্রথম, এমনকি বিশ্বেও বিরল। এই বীমাসেবার আওতায় খামারি তার গবাদি প্রাণীর অকালমৃত্যু ও স্থায়ী শারীরিক পঙ্গুত্বের ক্ষতিপূরণ সহজেই পেয়ে থাকেন। বীমাকৃত অর্থগ্রহনের মাধ্যমে নিরাপদে রাখতে পারবেন তার অমুল্য সম্পদটিকে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এবং যান্ত্রিক স্বশিক্ষার (মেশিন লার্নিং) মাধ্যমে মুখ স্বীকৃতি (ফেস রেকগনিশন) প্রযুক্তি ব্যবহারকারী প্রাণিসেবার ইজি প্যাকেজ ইতোমধ্যে পেটেন্টের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের অধীনে আবেদনরত।
এই প্যাকেজটি গরু মোটাতাজাকরণ খামারগুলোর জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। পাশাপাশি দুগ্ধ উত্পাদনকারী খামারিরাও উপকৃত হতে পারবেন। এই ব্যাপারে প্রাণিসেবার সিইও জনাব ফিদা হক বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সর্বশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এনেছি ইজি প্যাকেজ, যার মাধ্যমে গবাদি প্রাণীর খামার, বিশেষ করে মোটাতাজাকরণ খামারগুলো সহজে ও সুলভে প্রাণিবীমা ও খামার ব্যবস্থাপনাসেবা নিতে পারে।’
