গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন—ধর্ষণ, নারীর প্রতি সহিংসতা ও বিনা বিচারে হত্যার প্রতিবাদে সারা দেশ ফুঁসে উঠেছে। এখন আমরা কেউ নিরাপদ নই। মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছে। যৌন নির্যাতন যেমন অপরাধ, তেমনি মানুষের অধিকার হরণ করাও একই রকম অপরাধ। সরকার যদি মনে করে এ আন্দোলন থেমে যাবে, এটা ভুল। ভাসানী অনুসারী পরিষদের আয়োজনে গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদী সমাবেশ এবং ধর্ষণ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পদযাত্রায় তিনি এসব কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মানুষ জেগে উঠেছে। তাদের অধিকার ফিরিয়ে না দিলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। তিনি বলেন, ধর্ষণের মতো এত বড় অপরাধ যারা করেছে তাদের দুই মিনিটের ফাঁসি একটা ধাপ্পাবাজি। আপনারা ফাঁসির আন্দোলন না করে ৫০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের দাবি জানান।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল বলেন, সরকার ক্যাসিনো ব্যবসায়ী, খুনি, লুটেরাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে। সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, দেশে যে ধর্ষণের বন্যা বয়ে চলেছে, তার সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা জড়িত। অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে নয়, আমি এই সমাবেশে এসেছি বিবেকের তাড়নায়।
ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ডিএসসিসির সাবেক কমিশনার ফরিদ উদ্দিন, নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি কাজী শওকত আলী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আকতার খান, পরিষদের মহানগর কমিটির নেতা মনিরুজ্জমান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মুখে পদযাত্রা হয়।
এদিকে, দেশের ১৬তম এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
