বকশীগঞ্জের দুই ইউনিয়নে নির্বাচন আটকে আছে ১০ বছর

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২০, ১৭:৪৫

সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় বকশীগঞ্জ সদর ও বাট্টাজোড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার ১০ বছর পরেও নির্বাচন হয়নি ওই দুই ইউনিয়নে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর মানসম্মত সেবা পাচ্ছেনা সাধারণ মানুষ।  

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে বকশীগঞ্জ উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৩ সালে সদর ইউনিয়নের সাতটি ওয়ার্ড ও প্রতিবেশী বাট্টাজোড় ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ড নিয়ে বকশীগঞ্জ পৌরসভা গঠিত হয়। এরপর সীমানা নির্ধারণ পূর্বক বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ও বাট্টাজোড় ইউনিয়ন পূর্ণ গঠন না হওয়ায় ঝুলে থাকে উল্লেখিত দুই ইউনিয়নের নির্বাচন। ফলে ওই দুই ইউনিয়নে ২০১১ সালের পর আর নির্বাচন হয়নি। 

বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এলবাট মিয়া জানান, ২০১৭ সালে পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হওয়ায় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন নির্বাচিত চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান মতিন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম। জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুর পর ২০১৯ সালের ৫ নভেম্বর থেকে আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

বাট্টাজোড় ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক তালুকদার জানান, বাট্টাজোড় ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ড পৌরসভার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ায় এই ইউনিয়নে ২০১১ সালের পর আর নির্বাচন হয়নি। সরকারের তরফ থেকে নির্বাচনের উদ্যোগ নিলেই নির্বাচন করা সম্ভব। 

ইউনিয়ন দুটির জনসাধারণের অভিযোগ, এমন পরিস্থিতিতে জনসেবায় বিঘ্ন ঘটছে। মিলছেনা কাঙ্খিত সেবা।

এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুন মুন জাহান লিজা জানান, সীমানা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ভোট কেন্দ্র সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হয়নি। ভোট কেন্দ্রের বিষয়টি সমাধান হলেই নির্বাচন করা সম্ভব হবে।   

ইত্তেফাক এসি