বরিশাল-রাজশাহীতে শীতের সবজির সরবরাহ বেশি থাকলেও দাম চড়া

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৮

দক্ষিণাঞ্চলের পাইকারি বাজারগুলোতে আগাম শীতকালীন সবজির ব্যাপক সরবরাহ থাকলেও দাম চড়া। এখানকার কাঁচামালের পাইকারি বাজার সিটি মার্কেটে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি সরবরাহ হলেও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছে না বরিশালের বাজারে। আর আগাম শীতকালীন সবজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০ টাকা কেজি দরে। শীতকালীন সবজির পাশাপাশি পেঁয়াজও বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার আশপাশে।

নগরীর পার্শ্ববর্তী সদর উপজেলাসহ বাবুগঞ্জ, উজিরপুর, বানারীপাড়ার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ভ্যানে করে কৃষকেরা তাদের সবজি নিয়ে আসেন। বর্তমানে কাঁচা মরিচ ২৪০, শিম ১২০, করলা ৮০, ফুলকপি ৮০, বেগুন ৮০, শসা ৮০, বাঁধাকপি ৬০, মুলা ৬০ টাকা ও লাউ প্রকারভেদে প্রতি পিস ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবজির বাইরে ধনেপাতা, কাঁচা টম্যাটো, লাউশাক, লালশাকসহ শীতকালীন বিভিন্ন শাকসবজির দামও চড়া। তবে হঠাত্ করে আলুর দাম বেড়ে খুচরা বাজারে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানান, বাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা চালু না থাকায় তাদের বেশি দামে শীতকালীন শাকসবজি কিনতে হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও একই রকম। নগরীর বাজার রোডের সবজিবিক্রেতা বৃদ্ধ আব্দুস সোবাহান জানান, সারাদেশের বন্যা ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় অনেক সবজির আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে। তাই চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম। এতে সবজির দামও বাড়ছে। নগরীর বাংলাবাজারে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী রাজু হোসেন জানান, সবজির দাম শুনে মাথা খারাপ হওয়ার মতো অবস্থা। ভালো মানের কোনো সবজি ৭০ টাকার নিচে কেজি পাওয়া যাচ্ছে না।

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী জানান, রাজশাহীর বাজারে শীতের আগাম শাকসবজি আসতে শুরু করলেও দাম কমছে না। গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে কেজিপ্রতি সবজির দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতারা বলছেন, আপাতত দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। চলতি সপ্তাহ থেকে বাজারে শীতকালীন শাকসবজির সরবরাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি দামও বেড়েছে। শীত যত বাড়বে, সবজির সরবরাহ আরো বাড়বে এবং তখন দাম কমতে পারে।