স্বায়ত্তশাসিত তিব্বত অঞ্চল (টিএআর) কঠিন সময় পাড় করছে। বিশেষ করে এ বছর অঞ্চলটি এমন নানা কার্যকলাপের সাক্ষী। এই বছরের আগস্টের ২৮-২৯ তারিখে বেইজিংয়ে ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফোরামে তিব্বতীদের জন্য একটি নতুন ও আরো কঠিন সময়ের বার্তা দেয়।
'দেশপ্রমের শিক্ষার' ওপর জোর তিব্বতীদের 'বৌদ্ধধর্মের থেকে চীনাদের বৈশিষ্ট্যকে গ্রহণে' এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং দালাই গোষ্ঠীকে পরিত্যাগের বিষয় প্রাধান্য পায়।
তিব্বরের গ্রামে ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির অনুপ্রবেশ আরো বাড়বে। জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টায় তিব্বতের স্কুলগুলোয় ম্যান্ডারিনকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে তিব্বতীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
এবারের ফোরামে প্রায় ৩০০ সিনিয়র কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডার অংশগ্রহণ করেছে। তবে এবারের ফোরামে পাঞ্চেন লামা , গিলাস্টেন নরবুকে আমন্ত্রণ করলেও তারা যোগদান করেনি। চীনা সরকারি টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়া ঐ ফোরামের কিছু ছবি প্রকাশ করেছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে সিসিটিভি'র ফুটেছে কোন বৌদ্ধ নেতাকে দেখা যায়নি। তবে তিব্বত নিয়ে পরিকল্পনার যে বক্তব্য প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং দিয়েছেন তা 'গুরুত্বপূর্ণ' বলে প্রশংসা করেছেন নেতারা। চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং একে গাউডলাইন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইতেফাক/এসআর
