চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কোচ মামুনুর রশিদ

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২০, ২১:২২

এশিয়া কাপ হকি বাছাই

সোহেল সারোয়ার চঞ্চল

আগামী জানুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে অনূর্ধ্ব-২১ জুনিয়র এশীয় কাপ বাছাই টুর্নামেন্ট। আট দল দুই গ্রুপে খেলবে। বাংলাদেশের ‘এ’ গ্রুপে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত, রানারআপ পাকিস্তান এবং তৃতীয় স্থান পাওয়া দক্ষিণ কোরিয়া ও চায়নিজ তাইপে খেলবে। ‘বি’ গ্রুপে জাপান, মালয়েশিয়া, চীন, উজবেকিস্তান এবং ওমান নাম প্রত্যাহার করায় সেখানে সিঙ্গাপুর খেলবে। খেলা হবে ২১ হতে ৩০ জানুয়ারি। আগামী ২১ জানুয়ারি পাকিস্তান, ২১ জানুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়া, ২৪ জানুয়ারি চায়নিজ তাইপে ২৬ জানুয়ারি ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলা। গ্রুপিং এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন না হলেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। গ্রুপিং শুনে হকি কর্মকর্তারা হতাশ হলেও দলের কোচ মামুনুর রশিদ এখান থেকেই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চান। চার দিন হয়ে গেল অনুশীলন শুরু হয়েছে হকি স্টেডিয়ামে। ৩৭ খেলোয়াড়ের মধ্যে চার জন ছুটিতে।

দক্ষিণ কোরিয়া এবং পাকিস্তানকে টার্গেট করছে বাংলাদেশ। মামুনুর রশিদ এটা নিয়ে একটা ব্যাখ্যাও দিলেন কাল হকি মাঠে। বললেন, ‘পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজ জিতেছিল ওমান। আমরা সেই ভিডিও দেখছি। অনেক কিছুই জানার সুযোগ হচ্ছে। আর গত এশিয়া কাপের আসরে আমরা দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে ছিলাম। এই সবকিছু মিলিয়ে দেখলে পাকিস্তান এবং কোরিয়াকে আমরা টার্গেট করতে পারি।’

স্টিক হাতে নাঈম অনুশীলনের এক ফাঁকে এসে কোচের সুরেই বললেন, ‘আমরা কোরিয়াকে হারিয়েছি এটাই আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। পাকিস্তানের ম্যাচের ভিডিও দেখছি। ঐদলটাই ঢাকায় আসবে।’ আরেক প্লেয়ার ফজলে রাব্বি বললেন, ‘আমাদের ফিটনেস জিরো থেকে শুরু। কোচ গ্রুপিং নিয়ে ভাবছেন না। আমাদেরকে বলে দিয়েছেন নিজেদের নিয়ে ভাবো।’ কোচও বললেন, ‘ভেবে কী হবে। গ্রুপিং তো হয়েই গেছে।’

নাঈম বলছেন, ‘খেলাটাতো অনূর্ধ্ব-২১ দলের। যদিও ভারত এই আসরের চ্যাম্পিয়ন। তারপরও বুঝতে হবে কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারতের জাতীয় দল তো খেলবে না। আসবে আমাদের মতো বয়সের খেলোয়াড়রা।’ মামুনুর রশিদ মনে করছেন হাতে যেকয়টা মাস আছে তা কাজে লাগাতে হবে। সঙ্গে জাপান, মালয়েশিয়াকে এনে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলানো যায় তাহলে ভালো। আর্থিক সমস্যা থাকলে হয়ত হবে না। যদি না হয় তাহলে জাতীয় দল এবং বিকেএসপির সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলব। সবশেষে কোচের একটা কথা, ‘অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।’ ১০ দেশ হতে তিনটা দল জুনিয়র বিশ্বকাপে উঠবে।