ইলিশ ধরলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাত্ক্ষণিক সাজা ----- শ ম রেজাউল করিম

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২০, ২২:৫২

ইত্তেফাক রিপোর্ট

কেউ ইলিশ ধরলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সঙ্গে সঙ্গে সাজা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, যারা মা-ইলিশ সংরক্ষণে সহায়তা করবেন না তাদের ঠিকানা হবে জেলখানা। কাজেই কোনো দুর্বৃত্তের প্ররোচনায় কেউ মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে বিঘ্ন ঘটাবেন না। গতকাল বুধবার মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মত্স্যজীবীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।

নৌ-পুলিশের ব্যবস্থাপনায় নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ব্রিজঘাট থেকে নৌপথে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ঘাট পর্যন্ত অভিযানে অংশ নেন মন্ত্রী। এ সময় শত শত জেলে ও মত্স্যজীবী নদীতে নৌকা ও ট্রলারে করে মা-ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের গুরুত্বসম্বলিত স্লোগানের পাশাপাশি গান গেয়ে ইলিশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, মত্স্য খাতে একটা বিপ্লবের সৃষ্টি হয়েছে। দেশের সব মানুষের মাছের চাহিদা আমরা পূরণ করতে পেরেছি। ইলিশের উত্পাদন এবার অতীতের রেকর্ড ভঙ্গ করে ব্যাপক আকারে হয়েছে। তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের সময় মত্স্যজীবীরা যাতে কষ্টে না থাকেন, সেজন্য এবার অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি ভিজিএফ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী বছর বরাদ্দ আরো বাড়বে বলে তিনি জানান।

অভিযানের প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, মত্স্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ, বাংলাদেশ মত্স্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, নৌ-পুলিশের ডিআইজি মো. আতিকুল ইসলাম, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইলিশের মূল প্রজনন মৌসুমে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।