করোনা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল ও ১৬টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বারবার শলাপরামর্শ করে সম্মিলিত পদক্ষেপ নেবার চেষ্টা করেছেন| জার্মানিতে সংক্রমণের হার দ্রুত বেড়ে চলায় বুধবার এই প্রথম বার্লিনে চ্যান্সেলর দপ্তরে তারা মুখোমুখি হলেন| ফেডারেল ও রাজ্য পর্যায়ে মতপার্থক্য দূর করে গোটা দেশের জন্য স্পষ্ট নীতিমালা স্থির করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য| এর মাধ্যমে বিধিনিয়ম মানুষের কাছে আরো গ্রহণযোগ্য হবে বলে বিশেষজ্ঞরা বারবার জোর দিচ্ছেন| সেই প্রচেষ্টা আংশিকভাবে সফল হয়েছে| অনেক বিষয়ে মতপার্থক্য থেকে গেছে| মার্কেল নিজে আরো কড়া পদক্ষেপ চালু করার পক্ষে থাকলেও সব বিষয়ে ঐকমত্য অর্জন করা সম্ভব হয়নি| বিশেষ করে মাস্ক পরার আরো কড়া নিয়ম এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাবে অনেকেই সায় দেননি| ডয়চেভেলে
আপাতত গোটা দেশের জন্য নির্দিষ্ট ফর্মুলা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন উপস্থিত নেতারা| এর আওতায় প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৩৫ বা ৫০ জনের সংক্রমণের প্রবণতা দেখা দিলেই যে কোনো এলাকায় বেশ কিছু কড়াকড়ি চালু হবে| পানশালায় রাতে কারফিউ ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে পার্টির ক্ষেত্রে কড়া নিয়ম মেনে চলতে । দীর্ঘ আলোচনার শেষে বুধবার রাতে মার্কেল বলেন, আগামী কয়েক দিন ও সপ্তাহে কী করা হয়, তার ওপর এই মহামারির প্রভাব নির্ভর করবে| কড়া বিধিনিয়ম সত্ত্বেও সংক্রমণের হার বাড়তে থাকলে আরো পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন তিনি|
