করোনার প্রভাব মোকাবিলায় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ঐক্যে গুরুত্ব

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৩

করোনার প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে আঞ্চলিক বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ ভারতসহ এ অঞ্চলের অন্য দেশের ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে বলে মত দেন তারা। গত বুধবার ভারতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত এক অনলাইন সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া চার দিনের ঐ সম্মেলন শেষ হয়েছে গতকাল। এতে বিভিন্ন অধিবেশনে বক্তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

 ‘দক্ষিণ এশিয়া : প্রতিবেশী দেশগুলোর অর্থনৈতিক সমন্বয়ে নতুন ভাবনা’ শীর্ষক ঐ আলোচনায় বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বক্তব্য দেন। এ সময় ভারত সরকারের বস্ত্র এবং নারী ও শিশু উন্নয়ন বিষয়কমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ছাড়াও দেশটির ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতিনিধিরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম প্রতিবেশী দেশসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বাণিজ্য পুনরুদ্ধারে শিল্পের জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ, উত্পাদন ও এ অঞ্চলের দেশগুলোতে রপ্তানি করতে পারি। পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুবিধা তুলে ধরেন তিনি।

স্মৃতি ইরানি বলেন, মহামারির প্রভাব বিবেচনায় রেখে এখনই আমাদের আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ঐক্যের বিষয়টি নতুন করে ভাবার সময়। এ অঞ্চলে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং একে অপরের ওপর নির্ভরশীলতার পাশাপাশি সহযোগিতার অপার সুযোগ রয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে পণ্য উত্পাদন করার মতো বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমই হতে পারে আমাদের নতুন বন্ধন, নতুন পরিচয়।

এফআইসিসিআইর প্রেসিডেন্ট সংগীতা রেড্ডি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিক সম্পর্ক আমাদের আর্থসামাজিক সীমাবদ্ধতাগুলো মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

আলোচনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ভারতে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জুনায়েদ আহমদ, ফেডারেশন অব আফগান চেম্বারস-এর চেয়ারম্যান ইসমাইল গাজানফার, শ্রীলঙ্কার জ্যাট হোল্ডিংসের সিইও নিশাল ফারদিন্যান্দ প্রমুখ।