করোনা ভাইরাসের চিকিত্সায় অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ রেমডিসিভিরের সামান্য প্রভাব থাকে বা কোনো সময় প্রভাবই থাকে না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে রেমডিসিভিরের উত্পাদক সংস্থা গিলিয়াড সংস্থাটির দাবি নাকচ করে দিয়েছে। খবর সিএনএনের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে চিকিত্সায় রেমডিসিভির ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছিল। এর আগে চারটি ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছে ডব্লিউএইচও। এগুলো ছিল—রেমডিসিভির, ইবোলার ওষুধ, ম্যালেরিয়ার ওষুধ হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন, ইন্টারফেরন এবং লোপিনাভির ও রিটোনাভিরের সমন্বয়ে তৈরি ওষুধ। ১১ হাজার ২৬৬ জন প্রাপ্তবয়স্কের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। ৩০টি দেশের ৫০০ হাসপাতালে এই পরীক্ষা চালানো হয়। ডব্লিউএইচও বলেছে, কোনো ওষুধই মৃতের হার কমানো এবং হাসপাতালে অবস্থানের সময় কমানোর ক্ষেত্রে তেমন গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারেনি। এর মধ্যে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং লোপিনাভির ও রিটোনাভিরের সমন্বয়ে তৈরি ওষুধ জুনেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ এর প্রভাবই পাওয়া যায়নি। তবে আরো পর্যালোচনা করতে হবে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।
