কর্ণফুলী নদীকে বাঁচাতে গতকাল শুক্রবার সকালে সাম্পান র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে নদীর বুকে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে কর্ণফুলী দখল ও দূষণমুক্ত রাখতে জনসংহতি, জনসম্পৃক্তকরণ ও নদীকে বাঁচিয়ে দেশের অর্থনীতির প্রাণ-প্রবাহিনী বন্দর চ্যানেলকে নিরাপদ রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সাম্পান র্যালি অভয়মিত্র ঘাট থেকে শুরু হয়ে কর্ণফুলী ব্রিজে গিয়ে আবার অভয়মিত্র ঘাটে ফিরে আসে। এই র্যালিতে সুসজ্জিত ১০০টি সাম্পান অংশ নেয়। এ সময় নদীর তীরে সমবেত হাজার হাজার মানুষ করতালি দিয়ে তাদের অভিনন্দন জানায়।
কর্ণফুলী নদীবক্ষে একটি বড় জলপরিবহনের ওপর স্থাপিত সভামঞ্চে র্যালির আগে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। সভাপতি বলেন, কর্ণফুলীকে বাঁচানো শুধু চট্টগ্রামবাসী নয়, রাষ্ট্র, সরকার ও দেশের মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদী, বুড়িগঙ্গা নদীসহ দেশের জন্য অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নদনদীগুলোকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তার শতভাগ বাস্তবায়ন চাই।
সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বার্ষিক আয় ৩২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই বন্দরের তহবিল থেকে একটি ন্যূনতম অংশ যদি কর্ণফুলী রক্ষায় ও চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হয় তাহলে কর্ণফুলী বাঁচবে এবং চট্টগ্রাম নগরের চেহারা পালটে যাবে।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদের সঞ্চালনায় এবং যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত সাম্পান র্যালিপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শফর আলী, মশিউর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
