গাজীপুর ও কক্সবাজারে দুই শিশুকে দীর্ঘ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২০, ০১:০০

কক্সবাজার ও গাজীপুরে দীর্ঘ দিন আটকে রেখে দুই শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ দুই ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষকসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর জুমছড়ির এক টমটমচালকের কিশোরী কন্যাকে দেড় মাস যাবত্ আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়ার পর গত ১১ অক্টোবর ৯৯৯ কল করে সহায়তা চান ভিকটিমের মা। এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে তা সময় মতো পরিশোধ করতে না পারায় দেনাদারের কিশোরী কন্যাকে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তার জিম্মায় আটকে রেখে দেড় মাস যাবত্ ধর্ষণ ও নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ করেন কিশোরীর মা। কক্সবাজার মডেল থানার পুলিশ সেদিন দুপুরে কিশোরীকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়। পরে র্যাব-৭ ভিকটিমকে উদ্ধারে মাঠে নামে। তারই একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের সদর উপজেলার পিএমখালী ও বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে র্যাবের একটি দল। আটককৃতরা হলো কক্সবাজার সদরের খরুলিয়া চেয়ারম্যানপাড়ার আব্দুল গনির ছেলে ধর্ষক শাহাব উদ্দীন, সহযোগী পেকুয়া উজানটিয়ার বাসিন্দা আরমান হোসেন, খরুস্কুল হাটখোলাপাড়ার বাসিন্দা নুরুল আলম ও পেঁচারঘোনার বাসিন্দা লোকমান।

উদ্ধারকৃত কিশোরীকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সদর থানার ওসি জানান, আটককৃতদের শুক্রবার সকালে আদালতে সোপর্দ করার পর জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এদিকে কম খরচে মাদ্রাসায় ভর্তির কথা বলে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে আড়াই মাস গোপন কক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আসাদুজ্জামান (৩৫) নামে ঐ শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১ সদস্যরা। সে খুলনা জেলার কসবা উপজেলার উত্তর বেতকাশি গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের দক্ষিণ সালনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গত শুক্রবার সকালে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। র্যাব-১ গাজীপুর পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।