উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে সরকার ও এনজিও প্রদত্ত বিভিন্ন ধরনের ত্রাণ সামগ্রী সরবরাহ করলেও এসব ত্রাণ সামগ্রী চলে যাচ্ছে চোরাই পথে। ক্যাম্পে স্থানীয় ও রোহিঙ্গার সমন্বয়ে গঠিত একটি সিন্ডিকেট এসব ত্রাণ সামগ্রী কম দামে ক্রয় করে বাহিরে পাচার করছে। ত্রাণের সাথে মিয়ানমারের তৈরি ইয়াবা চালানও সময়ে অসময়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতের বেলায় যে সমস্ত ত্রাণ সামগ্রী পাচার হয় ওই সব ত্রাণ সামগ্রীর ভিতরে ইয়াবার চালান থাকে। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরকে ম্যানেজ করার কারণে ইয়াবার চালান পাচারের ঘটনা জেনেও না জানার ভান করে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বজুরুজ মিয়া অভিযোগ করে জানায়, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভারী ত্রাণ বোঝাই তার চাষাবাদের জমিনে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসময় গ্রামবাসী এসে ত্রাণের মালামালসহ সিএনজিটি জব্দ করে উখিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ্দ করেন।
উখিয়া থানার এসআই আল আমিন জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব সরকারি মালামাল ফলিয়াপাড়া মৌলভীপাড়া সড়ক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রামবাসী আরও জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শত শত রোহিঙ্গা নারী পুরুষ ত্রাণের মালামাল নিয়ে বিক্রি করার জন্য পাড়া গ্রামে চষে বেড়ায়। মাঝে মাঝে এসমস্ত মালামালের সাথে ইয়াবা পাচার করে থাকে বলেও গ্রামবাসীর অভিযোগ। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, কন্টিনারসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সনজুর মোরশেদ জানান, এব্যাপারে একটি মামলা রুজু করা হবে। মামলায় সিএনজি চালক কক্সবাজার ঝিলংজা ইউনিয়নের মো. কালুর ছেলে মফিজ উদ্দিন ও ঈদগাঁও গ্রামের নুরুল হক নুরুকে আসামি করা হবে।
ইত্তেফাক/কেকে
