যে কোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্ব ভুলে যাবেন না

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২০, ২২:৫৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানবতার সেবাই একজন চিকিত্সকের প্রথম ও প্রধান কাজ। আশা করি যে কোনো পরিস্থিতিতে আপনারা (চিকিত্সক) আপনাদের দায়িত্ব ভুলে যাবেন না। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যানেস্থেসিওলজিস্টস আয়োজিত ??‘ক্রিটিকাল কেয়ার-২০২০’ শীর্ষক প্রথম আন্তর্জাতিক ই-সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ভার্চুয়াল এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার রেকর্ডেড বক্তব্যে বলেন, চিকিত্সা একটি মহান পেশা। একজন অসুস্থ মানুষের সেবা করে একজন চিকিত্সক মূলত মানবতার সেবা করেন। সুতরাং আপনি যখন ডাক্তার হবেন আপনার প্রথম ও প্রধান কাজ হবে মানবতার সেবা করা।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টার সঙ্গে চিকিত্সকসহ সব স্বাস্থ্যকর্মীদের শ্রম ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের প্রচেষ্টা এবং চিকিত্সকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের কঠোর পরিশ্রমই পারে বাংলাদেশে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে। আমাদের সৌভাগ্য বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যু হার দুটোই কম। আশা করি আগামী দিনগুলোতে এই মহামারির আরো বিস্তার রোধ করতে আমরা সক্ষম হব।

দায়িত্বপালনকালে অ্যানেস্থেসিওলজিস্টসহ উল্লেখ্যযোগ্য চিকিত্সক করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাদের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও স্বজন হারানো পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে আমরা দেশে বেশ কয়েকটি নতুন বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করেছি। আমাদের শক্তিশালী বেসরকারি সেক্টরও চিকিত্সাসেবা প্রদানে এগিয়ে এসেছে। গ্রামের মানুষকে প্রাথমিক চিকিত্সাসেবা প্রদানে আমরা প্রায় ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র করেছি। সেখানে ৩০ প্রকার ওষুধ বিনা মূল্যে সরবরাহ করছে সরকার। অ্যানাস্থেসিওলজির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে আমাদের অ্যানেস্থেসিওলজিস্টরা আইসিইউতে এবং আইসিইউর বাইরের কোভিড-১৯ রোগী ম্যানেজমেন্টে দুর্দান্ত কাজ করে চলছেন। গুরুত্বর রোগীদের সেবায় সর্বশেষ জ্ঞান ও প্রযুক্তি দিয়ে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে অ্যানেস্থেসিওলজিস্টদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।