সব ধরনের অপসংস্কৃতি, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। গতকাল শনিবার সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চের সমন্বয়ক অজয় রায়ের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের আয়োজনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় শাহবাগ জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন রোবায়েত ফেরদৌস, সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদবিরোধী মঞ্চের সদস্যসচিব ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদার, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির আনিসুর রহমান মল্লিক, ঐক্য ন্যাপের অ্যাডভোকেট এস এম এ সবুর, ন্যাপের পরিতোষ দেবনাথ, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ড. অসিত বরণ রায়, স্ত্রী জয়ন্তি রায়, সংস্কৃতি মঞ্চের ড. সেলু বাসিত, জাতীয় শ্রমিক জোটের পক্ষে আব্দুল ওয়াহেদ প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ।
সভার শুরুতে প্রয়াত অজয় রায়, সদ্য প্রয়াত সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের একমাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, সভাপতি জিয়াউদ্দিন তারিক আলীসহ করোনাকালীন সময়ে প্রয়াত গুণীজনদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, আমাদের সমাজে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অনিয়ম, লুণ্ঠন, অপহরণ, মানব পাচার, উগ্রবাদিতা, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, ঘুষ, দুর্নীতি এবং সম্প্রতি এসব অপসংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ধর্ষণ। সাম্প্রতিক সময়ে মহামারি আকারে নারী-শিশু ধর্ষণের রোমহর্ষক ঘটনায় সমাজের বিবেকবান সব মানুষ আতঙ্কিত। অজয় রায় ছিলেন আমৃত্যু সব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ন্যায় সংগঠিত করার কারিগর। তিনি মনে করতেন সব অনিয়ম দূর করতে শুধু রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, সামাজিক আন্দোলনেরও প্রয়োজন। তাই তিনি সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা করেন। এখন তার পথ অনুসরণে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন অজয় রায়ের স্মরণসভায় বক্তারা।
