রুদ্রাক্ষ শব্দটি সংস্কৃত ভাষার, যার অর্থ রুদ্রের বা শিবের চোখ। পৌরাণিক কাহিনি মতে, দুর্বিনীত অসুর ত্রিপুরকে বধ করতে গিয়ে শিব দীর্ঘকাল অপলক নেত্রে যুদ্ধ করার কারণে তার অবসাদগ্রস্ত চোখ থেকে মাটিতে গড়িয়ে পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু। সেই অশ্রুকণা থেকেই জন্ম হয় রুদ্রাক্ষের। রুদ্রাক্ষের মালা হিন্দু সম্প্রদায়, বৌদ্ধ ভিক্ষু এবং বাউলদের ব্যবহার করতে দেখা যায়।
রুদ্রাক্ষ গাছ দেখতে কিছুটা বকুল গাছের মতো, পরিপক্ব গাছের শেকড়ে ঝাউ-শিমুল-বুদ্ধ নারিকেল গাছের মতো অধিমূল দেখা যায়। গাছের ফল দেখতে গাঢ় নীল রঙের।
সাধারণত পঞ্চমুখী রুদ্রাক্ষই দেখতে পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। তবে ১ থেকে শুরু করে ৩৮ মুখী পর্যন্ত রুদ্রাক্ষের সন্ধানও পাওয়া যায়। সহজলভ্য নয় বলে ১৪ থেকে ২১ মুখী রুদ্রাক্ষের মূল্যও বেশি। যাবতীয় নানা মুখী রুদ্রাক্ষের মধ্যে সবচেয়ে দুর্লভ বোধহয় সুশ্রী এবং গোলাকার একমুখী রুদ্রাক্ষ।
